AB Bank
  • ঢাকা
  • শনিবার, ১১ জুলাই, ২০২৬,

সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল

Ekushey Sangbad QR Code
BBS Cables
Janata Bank
  1. জাতীয়
  2. রাজনীতি
  3. সারাবাংলা
  4. আন্তর্জাতিক
  5. অর্থ-বাণিজ্য
  6. খেলাধুলা
  7. বিনোদন
  8. শিক্ষা
  9. তথ্য-প্রযুক্তি
  10. অপরাধ
  11. প্রবাস
  12. রাজধানী

চলতি বছরের ৩২০ সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৩৬০ শিক্ষার্থী


Ekushey Sangbad
নিজস্ব প্রতিবেদক
০৪:৩৭ পিএম, ১১ জুলাই, ২০২৬

চলতি বছরের ৩২০ সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৩৬০ শিক্ষার্থী

চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত দেশে ৩২০টি সড়ক দুর্ঘটনায় ৩৬০ জন শিক্ষার্থী নিহত এবং ১০৯ জন আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতি। সংগঠনটির দাবি, শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও অভিভাবকদের মধ্যে সড়ক নিরাপত্তা বিষয়ে পর্যাপ্ত সচেতনতা তৈরি না হওয়ায় প্রতিবছর এ ধরনের মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটছে।

শনিবার (১১ জুলাই) মিরসরাই ট্র্যাজেডির ১৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে এ তথ্য তুলে ধরেন বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির মহাসচিব মো. মোজাম্মেল হক চৌধুরী।

তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের সচেতন করা গেলে নিরাপদ সড়ক নিশ্চিত হওয়ার পাশাপাশি একটি সুশৃঙ্খল জাতি গঠনও সম্ভব হবে। কিন্তু মিরসরাই ট্র্যাজেডির পরও শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও অভিভাবকদের নিয়ে সড়ক নিরাপত্তা বিষয়ে নিয়মিত সচেতনতামূলক কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়নি। ফলে প্রতিবছর অসংখ্য শিক্ষার্থী প্রাণ হারাচ্ছে, আহত হচ্ছে এবং অনেকেই স্থায়ীভাবে পঙ্গুত্ব বরণ করছে।

বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, ২০১১ সালের ১১ জুলাই চট্টগ্রামের মিরসরাই উপজেলায় কয়েকটি স্কুলের শিক্ষার্থী বহনকারী একটি মিনিট্রাক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়ে শিক্ষার্থীসহ ৪৫ জন নিহত হন। দেশের ইতিহাসে একক সড়ক দুর্ঘটনায় এটি ছিল অন্যতম ভয়াবহ প্রাণহানির ঘটনা।

সংগঠনের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, জানুয়ারিতে ৫৭টি সড়ক দুর্ঘটনায় ৫৭ জন শিক্ষার্থী নিহত ও ২২ জন আহত হন। ফেব্রুয়ারিতে ৩৯টি দুর্ঘটনায় নিহত হন ৪৭ জন এবং আহত হন ১১ জন। মার্চে ৫৯টি দুর্ঘটনায় ৬৭ জন নিহত ও একজন আহত হন। এপ্রিলে ৫১টি দুর্ঘটনায় ৫৬ জন নিহত ও ২৫ জন আহত হন। মে মাসে ৬১টি দুর্ঘটনায় ৭৩ জন নিহত ও ২৩ জন আহত এবং জুনে ৫৩টি দুর্ঘটনায় ৬০ জন নিহত ও ২৭ জন আহত হন।

শিক্ষার্থীদের প্রাণহানি রোধে বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতি পাঁচ দফা সুপারিশও তুলে ধরেছে। সুপারিশগুলো হলো—

১. পাঠ্যবইয়ে সড়ক নিরাপত্তা বিষয়ে সচেতনতামূলক পাঠ অন্তর্ভুক্ত করা।
২. প্রতি মাসে অন্তত একবার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সড়ক নিরাপত্তাবিষয়ক সচেতনতামূলক সভার আয়োজন করা।
৩. শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সামনে ও গুরুত্বপূর্ণ পারাপারস্থলে জেব্রা ক্রসিং অঙ্কন এবং সতর্কতামূলক সাইনবোর্ড স্থাপন করা।
৪. জাতীয় ও আঞ্চলিক মহাসড়কের পাশে অবস্থিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের নিরাপদ পারাপারের জন্য প্রশিক্ষিত রোড সেফটি গার্ড নিয়োগ করা।
৫. প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের সমন্বয়ে সড়ক নিরাপত্তা কমিটি গঠন করা।

 

একুশে সংবাদ/এ.জে

Link copied!