AB Bank
  • ঢাকা
  • রবিবার, ২১ জুন, ২০২৬,

সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল

Ekushey Sangbad QR Code
BBS Cables
Janata Bank
  1. জাতীয়
  2. রাজনীতি
  3. সারাবাংলা
  4. আন্তর্জাতিক
  5. অর্থ-বাণিজ্য
  6. খেলাধুলা
  7. বিনোদন
  8. শিক্ষা
  9. তথ্য-প্রযুক্তি
  10. অপরাধ
  11. প্রবাস
  12. রাজধানী

জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় বাজেট ৩ শতাংশ বরাদ্দের দাবি


Ekushey Sangbad
নিজস্ব প্রতিবেদক
০৫:৫৩ পিএম, ২০ জুন, ২০২৬

জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় বাজেট ৩ শতাংশ  বরাদ্দের দাবি

জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষয়ক্ষতি প্রশমন ও পরিবেশ সুরক্ষায় ২০৩০ সালের মধ্যে জাতীয় বাজেটে বরাদ্দ ৩ শতাংশে উন্নীত করার দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা)। এ ছাড়া সংগঠনটি পাঁচ দফা দাবি উত্থাপন করেছে।

শনিবার (২০ জুন) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব দাবি তুলে ধরেন বাপার নেতারা।

সংবাদ সম্মেলনে সভাপতির বক্তব্যে অধ্যাপক নুর মোহাম্মদ তালুকদার বলেন, দেশের বাজেট প্রণয়নে দীর্ঘদিন ধরে প্রচলিত আমলানির্ভর পরিকল্পনা থেকে বেরিয়ে আসা প্রয়োজন। তিনি উল্লেখ করেন, অর্থবছরের শেষ দিকে বাজেটের অর্থ ব্যয়ের যে প্রবণতা দেখা যায়, তা অনেক ক্ষেত্রে দুর্নীতি ও অপচয়ের সুযোগ সৃষ্টি করে।

তিনি আরও বলেন, বাজেটে বরাদ্দকৃত অর্থ স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার মাধ্যমে ব্যয় নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি পরিবেশ-সংক্রান্ত বাজেট প্রণয়নের আগে পরিবেশ বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে পরামর্শ করে কার্যকর ও বাস্তবসম্মত পরিকল্পনা গ্রহণের আহ্বান জানান তিনি।

সহ-সভাপতি জনাব জাকির হোসেন বলেন, "বাজেটে ‍‍`গ্রিন জব‍‍` বলতে সরকার আসলে কী বুঝাতে চেয়েছেন, সেটি সরকারকে পরিষ্কার করতে হবে।"

সাধারণ সম্পাদক জনাব মো. আলমগীর কবির বলেন, "পরিবেশ ও জলবায়ু খাতে যে বরাদ্দ আসে তা যথাযথ খাতে বাস্তবায়ন করা হয় না, সেই খাতের টাকা অন্য খাতে ব্যবহার হয়। বাজেট সবসময় মুখরোচক হয়ে থাকে, কিন্তু পরে তা অপচয় ও লোপাট করা হয়। রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্রের জন্য ময়লাযুক্ত কয়লা আমদানি বন্ধের কোনো উদ্যোগ সরকারের পক্ষ থেকে নেওয়া হয়নি।"

যুগ্ম সম্পাদক জনাব হুমায়ুন কবির সুমন বলেন, "সরকার বেশ কিছু উদ্যোগ গ্রহণ করেছে যা প্রশংসনীয়, কিন্তু কিছু কিছু উদ্যোগ সরকার নিয়েছে যা দেশের পরিবেশের জন্য মারাত্মক ক্ষতি বয়ে আনবে। ঢাকা শহরসহ দেশের বড় বড় শহরগুলোতে যানজট নিরসনের জন্য যথেষ্ট বাজেট দেওয়া প্রয়োজন।"

বাপার ৫ দাবি

১. আর্থিক কাঠামো ও বরাদ্দ বৃদ্ধি: জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষয়ক্ষতি প্রশমনে বর্তমান ০.৭৬% বরাদ্দ যথেষ্ট নয়। ২০৩০ সালের মধ্যে এটি অন্তত ৩%-এ উন্নীত করতে হবে। বেসরকারি খাত থেকে পরিবেশবান্ধব অর্থায়নের জন্য সরকারি গ্যারান্টিযুক্ত বন্ড চালু করে তহবিল গঠন করা যেতে পারে।
২. কার্বন ট্যাক্স ও দূষণ মূল্য: উচ্চ কার্বন নিঃসরণকারী শিল্প ও লাক্সারি গাড়ি আমদানিতে বিশেষ কার্বন কর আরোপ করে সেই অর্থ পরিবেশ সংরক্ষণে ব্যবহার করা। যেসকল শিল্প বর্জ্য শোধনাগার (ETP) চালায় না, তাদের ওপর কঠোর জরিমানা আরোপ করে সেই তহবিলে কেন্দ্রীয় শোধনাগার নির্মাণ।
৩. বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও সার্কুলার ইকোনমি: মহানগরগুলোর ল্যান্ডফিলে বর্জ্য পুড়িয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদনের প্রকল্প গ্রহণ করে পরিবেশ রক্ষা ও জ্বালানি সাশ্রয় নিশ্চিত করা। প্লাস্টিক রিসাইক্লিং শিল্পে কর ছাড় দেওয়া এবং একবার ব্যবহারযোগ্য প্লাস্টিক সম্পূর্ণ নিষিদ্ধকরণ।
৪. প্রযুক্তি ও গবেষণা (R&D): বাংলাদেশে ক্লাইমেট টেকনোলজি স্টার্টআপদের জন্য বিশেষ ইনকিউবেশন সেন্টার ও সিড ফান্ড প্রদান করা। মহাকাশ গবেষণা কেন্দ্র (SPARRSO) কে শক্তিশালী করে নদীর গতিপথ ও বনভূমি দখল রিয়েল-টাইম ট্র্যাকিং করা।
৫. উপকূলীয় সুরক্ষা ও ম্যানগ্রোভ: সুন্দরবন সংলগ্ন এলাকায় কৃত্রিম বাঁধের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে নতুন ম্যানগ্রোভ বনায়ন সৃষ্টি করে সাইক্লোন থেকে রক্ষার প্রাকৃতিক দেয়াল তৈরি করা।

 

 

একুশে সংবাদ/ওজি

Link copied!