AB Bank
  • ঢাকা
  • শুক্রবার, ১০ জুলাই, ২০২৬,

সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল

Ekushey Sangbad QR Code
BBS Cables
Janata Bank
  1. জাতীয়
  2. রাজনীতি
  3. সারাবাংলা
  4. আন্তর্জাতিক
  5. অর্থ-বাণিজ্য
  6. খেলাধুলা
  7. বিনোদন
  8. শিক্ষা
  9. তথ্য-প্রযুক্তি
  10. অপরাধ
  11. প্রবাস
  12. রাজধানী

বন্যা ও পাহাড়ধসে ৪ জেলায় ৩০ জনের মৃত্যু


Ekushey Sangbad
নিজস্ব প্রতিবেদক
১২:৩৭ এএম, ১০ জুলাই, ২০২৬

বন্যা ও পাহাড়ধসে ৪ জেলায় ৩০ জনের মৃত্যু

টানা ভারী বৃষ্টিতে সৃষ্ট বন্যা ও পাহাড়ধসে চট্টগ্রাম বিভাগের চার জেলায় এখন পর্যন্ত ৩০ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু। তিনি বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের জন্য আশ্রয়, ত্রাণ ও পুনর্বাসন কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) জাতীয় সংসদে কার্যপ্রণালী বিধির ৩০০ ধারায় দেওয়া এক বিবৃতিতে মন্ত্রী এসব তথ্য তুলে ধরেন।

ত্রাণমন্ত্রীর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, সবচেয়ে বেশি প্রাণহানি ঘটেছে কক্সবাজারে, যেখানে ১৯ জন মারা গেছেন। এছাড়া চট্টগ্রাম ও বান্দরবানে পাঁচজন করে এবং রাঙ্গামাটিতে একজনের মৃত্যু হয়েছে।

তিনি জানান, দুর্গত এলাকার মানুষের জন্য পর্যাপ্ত আশ্রয়কেন্দ্র চালু করা হয়েছে। বর্তমানে চট্টগ্রামে ৪১টি, কক্সবাজারে ৬৪০টি, রাঙ্গামাটিতে ২১টি, খাগড়াছড়িতে ১৩৫টি এবং বান্দরবানে ২২০টি আশ্রয়কেন্দ্র পরিচালিত হচ্ছে। এসব কেন্দ্রে হাজার হাজার মানুষ আশ্রয় নিয়েছেন। ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা থেকে বাসিন্দাদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিতে মাইকিংসহ বিভিন্ন সচেতনতামূলক কার্যক্রমও চালানো হচ্ছে।

মন্ত্রী বলেন, আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে বিশুদ্ধ পানি, স্যানিটেশন, শিশু খাদ্য এবং দিনে তিন বেলা খাবারের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। পাশাপাশি দুর্গত মানুষের জন্য প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহায়তা অব্যাহত রয়েছে।

তিনি আরও জানান, গত ৭ জুলাই ক্ষতিগ্রস্ত পাঁচ জেলার প্রতিটির জন্য জিআর কর্মসূচির আওতায় ১০ লাখ টাকা এবং ২০০ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল। পরবর্তীতে ত্রাণ কার্যক্রম আরও জোরদার করতে অতিরিক্ত বরাদ্দ অনুমোদন করা হয়েছে।

নতুন বরাদ্দ অনুযায়ী, চট্টগ্রাম জেলার জন্য ২৫ লাখ টাকা এবং কক্সবাজারের জন্য ২০ লাখ টাকা দেওয়া হয়েছে। এছাড়া রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবানের জন্য ১০ লাখ টাকা করে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে অতিরিক্ত চাল হিসেবে চট্টগ্রামের জন্য ৩০০ মেট্রিক টন, কক্সবাজারের জন্য ২৫০ মেট্রিক টন এবং রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবানের জন্য ২০০ মেট্রিক টন করে বরাদ্দ অনুমোদন করা হয়েছে।

ত্রাণমন্ত্রী জানান, প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ও কল্যাণ তহবিল থেকেও প্রতিটি ক্ষতিগ্রস্ত জেলার জন্য ২০ লাখ টাকা করে বিশেষ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী সার্বক্ষণিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছেন এবং প্রয়োজন অনুযায়ী অতিরিক্ত সহায়তা দেওয়ার নির্দেশনা দিচ্ছেন।

পাহাড়ধসে পুনঃপুন প্রাণহানির বিষয়টি উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, ঝুঁকিপূর্ণ পাহাড়ের ঢালে বসবাসকারী পরিবারগুলোকে খাসজমি ও অন্যান্য সরকারি জমিতে পুনর্বাসনের জন্য সরকার প্রস্তুত রয়েছে। এ লক্ষ্যে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং পুনর্বাসন কার্যক্রমে সক্রিয় ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান তিনি।

 

একুশে সংবাদ/এ.জে

Link copied!