অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ের দুর্নীতির অভিযোগসহ অতীত ও বর্তমানের সব দুর্নীতির অভিযোগ নিরপেক্ষভাবে তদন্ত হওয়া প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। তিনি বলেন, দুর্নীতির অভিযোগের ক্ষেত্রে কোনো সময়সীমার বাধা নেই এবং সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পেলে আইন অনুযায়ী তদন্ত হওয়া উচিত।
মঙ্গলবার (৩০ জুন) সচিবালয়ে সরকারের সার্বিক কার্যক্রম নিয়ে আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ মন্তব্য করেন।
ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, দুর্নীতি একটি ফৌজদারি অপরাধ, যার তদন্ত যেকোনো সময় করা সম্ভব। তিনি উল্লেখ করেন, দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) একটি স্বাধীন সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান। তাই অভিযোগের ভিত্তিতে অন্তর্বর্তী সরকারের কোনো উপদেষ্টা, সাবেক আওয়ামী লীগ সরকারের ব্যক্তি কিংবা বর্তমান সরকারের কারও বিরুদ্ধে অভিযোগ এলে দুদকের স্বাধীনভাবে তদন্ত পরিচালনা করা উচিত।
আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক কার্যক্রম প্রসঙ্গে তথ্য উপদেষ্টা বলেন, আদালতের আরোপিত নিষেধাজ্ঞা বহাল থাকা পর্যন্ত দলটি কোনো নাম বা পরিচয়ে রাজনৈতিক কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারবে না। আদালতের নির্দেশ কার্যকর থাকা অবস্থায় এ বিষয়ে কোনো ব্যতিক্রমের সুযোগ নেই বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচারের বিষয়ে তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের আদেশ অনুযায়ী তার বক্তব্য প্রচারে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। এ অবস্থায় সব গণমাধ্যমকে প্রচলিত আইন ও আদালতের নির্দেশনা মেনে দায়িত্বশীল আচরণ করার আহ্বান জানান তিনি।
তিনি স্মরণ করিয়ে দেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা দেশত্যাগের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার বিভিন্ন বক্তব্য ছড়িয়ে পড়ে। পরবর্তীতে একই বছরের ৫ ডিসেম্বর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল তার বিদ্বেষমূলক বক্তব্য গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করে।
ব্রিফিংয়ে সীমান্ত পরিস্থিতি সম্পর্কেও তথ্য দেন ডা. জাহেদ উর রহমান। তিনি জানান, সীমান্তে অনুপ্রবেশ ঠেকাতে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ভারত সীমান্তে ১৬৫টি এবং মিয়ানমার সীমান্তে ১৫টি পুশ-ইনের চেষ্টা প্রতিহত করেছে।
একুশে সংবাদ/এ.জে



একুশে সংবাদের সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

