জাতিসংঘে বাংলাদেশ পুনরায় জোর দিয়ে বলেছে, রোহিঙ্গা সংকটের একমাত্র টেকসই সমাধান হলো তাদের নিজ দেশ মায়ানমারে নিরাপদ, স্বেচ্ছা ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসন। একই সঙ্গে প্রায় এক দশক ধরে বিপুলসংখ্যক রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিয়ে আসা বাংলাদেশের ওপর দীর্ঘমেয়াদি চাপের বিষয়টিও তুলে ধরা হয়েছে।
শনিবার (২০ জুন) নিউইয়র্কে জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী মিশনের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
জাতিসংঘ মহাসচিবের মায়ানমারবিষয়ক বিশেষ দূতের ব্রিফিংয়ে বক্তব্য রাখতে গিয়ে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত সালাহউদ্দিন নোমান চৌধুরী বলেন, রোহিঙ্গা সংকটের উৎপত্তি মায়ানমারে, তাই এর স্থায়ী সমাধানও সেখানেই খুঁজে বের করতে হবে।
তিনি বলেন, বর্তমানে প্রায় ১২ লাখ রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দেওয়ার ফলে বাংলাদেশের ওপর উল্লেখযোগ্য সামাজিক, অর্থনৈতিক, পরিবেশগত ও নিরাপত্তাজনিত চাপ সৃষ্টি হয়েছে। এই পরিস্থিতি দীর্ঘমেয়াদে বহন করা বাংলাদেশের জন্য টেকসই নয়। একই সঙ্গে রোহিঙ্গারাও নিজ দেশে ফিরে যেতে আগ্রহী বলে উল্লেখ করেন তিনি।
রাষ্ট্রদূত আরও বলেন, বাংলাদেশ শান্তিপূর্ণ সমাধানের প্রতি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং এ সংকট নিরসনে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের আরও সক্রিয় ভূমিকা প্রয়োজন।
তিনি আন্তর্জাতিক অংশীদারদের প্রতি কূটনৈতিক প্রচেষ্টা ও সম্পৃক্ততা জোরদারের আহ্বান জানিয়ে বলেন, মায়ানমারে এমন পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে যাতে রোহিঙ্গারা নিরাপদে, স্বেচ্ছায় এবং মর্যাদার সঙ্গে নিজ দেশে ফিরে যেতে পারে।
বাংলাদেশের পক্ষ থেকে আবারও উল্লেখ করা হয়, রোহিঙ্গা সংকটের কার্যকর ও দীর্ঘস্থায়ী সমাধানে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা এবং মায়ানমারের ইতিবাচক উদ্যোগ অপরিহার্য।
একুশে সংবাদ/এ.জে



একুশে সংবাদের সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

