রাজশাহী-১ (তানোর–গোদাগাড়ী) আসনে এবারের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হবে দুই হেভিওয়েট প্রার্থীর মধ্যে। বিএনপি মনোনীত মেজর জেনারেল (অবঃ) শরিফ উদ্দিন ও জামায়াত ইসলামীর মনোনীত অধ্যাপক মুজিবুর রহমানের প্রতিদ্বন্দ্বিতা কেন্দ্র করে ভোটের গতি চলছে।
এ আসনে মোট ৫ প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এছাড়া আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির আব্দুর রহমান মুহাসেনী, গণঅধিকার পরিষদের মীর শাহজাহান ও স্বতন্ত্র প্রার্থী আল সাআদ রয়েছেন। তবে প্রচারণায় সক্রিয় রয়েছেন মূলত শরিফ উদ্দিন, মুজিবুর রহমান ও আব্দুর রহমান মুহাসেনী।
নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, রাজশাহী-১ আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৪ লাখ ৬৮ হাজার ৭৮০। গোদাগাড়ী উপজেলায় ভোটার ২ লাখ ৯৬ হাজার ৯১০ এবং তানোর উপজেলায় ১ লাখ ৭১ হাজার ৮৭০ জন। গোদাগাড়ীতে পুরুষ ভোটার ১ লাখ ৪৯ হাজার ৫৩২, নারী ভোটার ১ লাখ ৪৭ হাজার ৩৭৫। তানোরে পুরুষ ভোটার ৮৪ হাজার ৫৪৬, নারী ভোটার ৮৭ হাজার ৩২৪।
গোদাগাড়ী ও তানোরের ৪টি পৌরসভা ও ১৬টি ইউনিয়ন নিয়ে ৭৭০ বর্গকিলোমিটার আয়তনের এই আসনে এবার প্রথমবারের মতো মূল লড়াই হবে বিএনপি–জামায়াত প্রার্থীদের মধ্যে। বিশেষ করে এই আসনের প্রায় ৮০ হাজার আদিবাসী ভোটার ফলাফলের দিক নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
স্থানীয়দের মতে, দুই দলের লোকজনই আদিবাসীদের কাছে ভোট আকর্ষণের চেষ্টা করছেন। গোদাগাড়ী উপজেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুস সালাম বলেন, বিএনপি এই এলাকায় জনপ্রিয়। প্রয়াত মন্ত্রী ব্যারিস্টার আমিনুল হক গোদাগাড়ী–তানোরে উন্নয়ন করেছেন। তাই তাঁর সহোদর, মেজর জেনারেল (অবঃ) শরিফ উদ্দিনকে ভোট দিয়ে জয়ী করবে জনগণ।
গোদাগাড়ী উপজেলা জামায়াতের আমির নুমায়ন আলী বলেন, “আমরা নির্বাচনে জিতলেও বা হারলেও কাউকে ক্ষতি করি না। আমরা জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী।”
সব জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটবে ১২ ফেব্রুয়ারি, ব্যালটের মাধ্যমে ভোটাররা সিদ্ধান্ত নেবেন।
একুশে সংবাদ/এ.জে



একুশে সংবাদের সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

