আসন্ন ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণার ক্ষেত্রে আচরণবিধি কঠোরভাবে প্রতিপালনের নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। একই সঙ্গে প্রার্থী ও রাজনৈতিক দলগুলোকে ফেসবুক বুস্টিংসহ সব ধরনের ডিজিটাল প্রচারণার ব্যয়ের বিস্তারিত হিসাব কমিশনে জমা দেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
ইসি সচিবালয়ের পরিচালক (জনসংযোগ) ও তথ্য প্রদানকারী কর্মকর্তা মো. রুহুল আমিন মল্লিক বুধবার গণমাধ্যমকে জানান, এ বিষয়ে একটি নির্দেশনামূলক চিঠি দেশের সব রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে পাঠানো হয়েছে।
চিঠিতে বলা হয়, রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা, ২০২৫-এর বিধি ১৬ অনুযায়ী কোনো প্রার্থী, তার নির্বাচনী এজেন্ট বা প্রার্থীর পক্ষে অন্য কেউ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার করে নির্বাচনী প্রচার চালাতে পারবেন। তবে এ ক্ষেত্রে প্রচার শুরুর আগেই সংশ্লিষ্ট সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের নাম, অ্যাকাউন্ট আইডি, ই-মেইল আইডিসহ প্রয়োজনীয় শনাক্তকরণ তথ্য রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে জমা দিতে হবে।
এ ছাড়া আচরণ বিধিমালার বিধি ২২(২) অনুযায়ী সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নির্বাচনসংক্রান্ত কনটেন্ট তৈরি, বিজ্ঞাপন, বুস্টিং ও স্পন্সরশিপসহ সব ধরনের ডিজিটাল প্রচারণার ব্যয় প্রার্থীর সামগ্রিক নির্বাচনী ব্যয়ের অংশ হিসেবে গণ্য হবে। এসব ব্যয়ের পূর্ণাঙ্গ হিসাব নির্বাচন কমিশনের কাছে দাখিল করা বাধ্যতামূলক।
চিঠিতে আরও উল্লেখ করা হয়, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে যে অর্থ ব্যয় হবে তা অবশ্যই নির্বাচনী ব্যয়ের হিসাবে অন্তর্ভুক্ত করে সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে জমা দিতে হবে। একই সঙ্গে কোন রাজনৈতিক দল বা প্রার্থী কোন কোন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার করছে—সে সংক্রান্ত তথ্য নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের জনসংযোগ শাখায় পাঠানোর জন্য রিটার্নিং কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, আচরণবিধি লঙ্ঘনের বিষয়ে তারা কঠোর অবস্থানে রয়েছে এবং ডিজিটাল প্রচারণার ক্ষেত্রেও স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে এই নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
একুশে সংবাদ/এ.জে



একুশে সংবাদের সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

