AB Bank
  • ঢাকা
  • বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬,

সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল

Ekushey Sangbad QR Code
BBS Cables
Janata Bank
  1. জাতীয়
  2. রাজনীতি
  3. সারাবাংলা
  4. আন্তর্জাতিক
  5. অর্থ-বাণিজ্য
  6. খেলাধুলা
  7. বিনোদন
  8. শিক্ষা
  9. তথ্য-প্রযুক্তি
  10. অপরাধ
  11. প্রবাস
  12. রাজধানী

আমের রাজধানীতে মার্কিন রাষ্ট্রদূত


Ekushey Sangbad
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
০৪:৫৮ পিএম, ১৬ জুন, ২০২৬

আমের রাজধানীতে মার্কিন রাষ্ট্রদূত

সুস্বাদু ও রসালো আমের জন্য বাংলাদেশের আমের রাজধানী হিসেবে পরিচিত রাজশাহী।  গ্রীষ্মকালে এই অঞ্চলে আম সংগ্রহ ও বিপণন ঘিরে উৎসবমুখর পরিবেশ তৈরি হয়।

পদ্মার তীরবর্তী এই অঞ্চলে ২৭০টিরও বেশি জাতের রসালো আম উৎপাদিত হয়। তীব্র গরমের কারণে দ্রুত আম পেকে যাওয়ায় বর্তমানে বানেশ্বরসহ বিভিন্ন হাটে প্রচুর আম বেচাকেনা হচ্ছে। গাছে গাছে থোকা থোকা ফজলি, গোপালভোগ, ক্ষীরশাপাতি (হিমসাগর) এবং আম্রপালি রাজশাহী এবং পার্শ্ববর্তী চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও নওগাঁ অঞ্চল এই মৌসুমের প্রধান অর্থকরী ফসল। ব্যবসায়ীদের মতে ভর মৌসুমে প্রতিদিন কোটি টাকার বেশি আমের বাণিজ্য হয়।

এই রাজশাহীতে আমের বাজার পরিদর্শনে আসেন বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন। উত্তরাঞ্চলের বৃহৎ আমের বাজার রাজশাহীর পুঠিয়া উপজেলার বানেশ্বর আম হাট ঘুরে দেখেন এবং রসালো আমের স্বাদে মুগ্ধ হন অতিথি।  

মঙ্গলবার (১৬ জুন) সকাল ৯টা নাগাদ হাটে পৌছান এবং বিভিন্ন আমের আড়ত ও দোকান ঘুরে দেখেন। এ সময় তার সঙ্গে পলিটিক্যাল কাউন্সেলর এরিক গিলান ও পলিটিক্যাল অফিসার চার্লস বেসনার্ড সহ দূতাবাসের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

পরিদর্শনকালে রাষ্ট্রদূত হাটে বিক্রি হওয়া বিভিন্ন জাতের আম সম্পর্কে খোঁজখবর নেন। তিনি ব্যবসায়ী ও চাষিদের সঙ্গে কথা বলেন এবং স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত বিভিন্ন জাতের আমের রসালো স্বাদ গ্রহণ করেন।

হাটে উপস্থিত ব্যবসায়ীরা জানান, মার্কিন রাষ্ট্রদূতের এমন সফরে তারা আনন্দিত। এতে রাজশাহীর আম আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আরও পরিচিতি পাবে বলে তারা আশা প্রকাশ করেন।

স্থানীয় কৃষকরা বলেন, রাজশাহীর আমের গুণগত মান ও স্বাদ বিশ্বব্যাপী পরিচিত। বিদেশি কূটনীতিকদের এ ধরনের পরিদর্শন দেশের কৃষিপণ্য রপ্তানির সম্ভাবনাকে আরও এগিয়ে নিতে সহায়ক হবে।

রাজশাহীতে মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন সুস্বাদু আমের স্বাদে মুগ্ধ

পরিদর্শন শেষে রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন সাংবাদিকদের বলেন, রাজশাহীতে রাষ্ট্রদূত হিসেবে এটি আমার প্রথম সফর।

২০২০ সালে একবার এসেছিলাম, তবে এবার বিশেষভাবে আমের মৌসুমে এসেছি কারণ, আমি রাজশাহীর আমের স্বাদ নিতে চেয়েছিলাম। আমি এখানে আসতে পেরে সত্যিই আনন্দিত।

আমি যুক্তরাষ্ট্রের একটি কৃষিপ্রধান অঙ্গরাজ্য থেকে এসেছি। পণ্য যেখানে উৎপাদিত হয় সেখানে যাওয়ার মতো সেরা অভিজ্ঞতা আর নেই, সবচেয়ে তাজা, সবচেয়ে বৈচিত্র্যময় এবং সেরা জিনিসটি দেখার সুযোগ সেখানে পাওয়া যায়। সেই অভিজ্ঞতার কোনো তুলনা হয় না।

তিনি আরও বলেন, আমেরিকানদের আম খুব পছন্দ। যদিও আমরা সাধারণত সেগুলো হিমায়িত অবস্থায় পাই এবং শেক তৈরিতে ব্যবহার করি। যুক্তরাষ্ট্রে আম পাওয়া যায়, তবে আমি মনে করি না সেখানে এখানকার মতো এত তাজা আম পাওয়া সম্ভব।

বাংলাদেশের আম রপ্তানির সম্ভাবনা বাড়াতে পরামর্শ দিয়ে মার্কিন রাষ্ট্রদূত বলেন, আমি মনে করি বাংলাদেশের আরও কোল্ড চেইন (হিমাগার ব্যবস্থা) প্রয়োজন।

কারণ সারা বছর আমের সহজলভ্যতার জন্য হিমায়িত আম রপ্তানির জন্য সবচেয়ে উপযোগী। তাই সারা বছর আমের উন্নত উৎপাদন ও রপ্তানির জন্য বাংলাদেশের কোল্ড চেইন ব্যবস্থার উন্নয়ন প্রয়োজন।

 

একুশে সংবাদ/ওজি

Link copied!