AB Bank
  • ঢাকা
  • বুধবার, ১০ জুন, ২০২৬,

সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল

Ekushey Sangbad QR Code
BBS Cables
Janata Bank
  1. জাতীয়
  2. রাজনীতি
  3. সারাবাংলা
  4. আন্তর্জাতিক
  5. অর্থ-বাণিজ্য
  6. খেলাধুলা
  7. বিনোদন
  8. শিক্ষা
  9. তথ্য-প্রযুক্তি
  10. অপরাধ
  11. প্রবাস
  12. রাজধানী

ইমাম-মুয়াজ্জিনদের গ্রেডভিত্তিক বেতন নির্ধারণ করল সরকার


Ekushey Sangbad
নিজস্ব প্রতিবেদক
০৪:২৩ পিএম, ২১ জানুয়ারি, ২০২৬

ইমাম-মুয়াজ্জিনদের গ্রেডভিত্তিক বেতন নির্ধারণ করল সরকার

দেশের মসজিদে কর্মরত ইমাম, মুয়াজ্জিনসহ অন্যান্য জনবলের বেতন কাঠামো নির্ধারণ করে মসজিদ ব্যবস্থাপনা নীতিমালা–২০২৫ গেজেট আকারে প্রকাশ করেছে সরকার। সোমবার (১৯ জানুয়ারি) বাংলাদেশ গেজেটের অতিরিক্ত সংখ্যায় নীতিমালাটি প্রকাশিত হয়।

ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের গঠিত একটি কমিটি এই নীতিমালা প্রণয়ন করেছে। চূড়ান্তকরণের আগে দেশের প্রখ্যাত আলেম-ওলামা ও বিভিন্ন ইমাম-খতিব সংগঠনের প্রতিনিধিদের সঙ্গে একাধিক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। এসব সভায় ধর্ম উপদেষ্টা ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

নীতিমালা অনুযায়ী, খতিব ব্যতীত মসজিদে কর্মরত অন্যান্য জনবলের জন্য গ্রেডভিত্তিক বেতন কাঠামো নির্ধারণ করা হয়েছে। খতিবদের বেতন চুক্তিপত্র অনুযায়ী নির্ধারিত হবে। তবে আর্থিকভাবে অসচ্ছল ও পাঞ্জেগানা মসজিদের ক্ষেত্রে সামর্থ্য অনুযায়ী বেতন-ভাতা নির্ধারণের সুযোগ রাখা হয়েছে।

নীতিমালায় সিনিয়র পেশ ইমামকে জাতীয় বেতনস্কেল ২০১৫ অনুযায়ী ৫ম গ্রেড, পেশ ইমামকে ৬ষ্ঠ গ্রেড এবং ইমামকে ৯ম গ্রেডে বেতন প্রদানের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। প্রধান মুয়াজ্জিন ১০ম, মুয়াজ্জিন ১১তম, প্রধান খাদিম ১৫তম এবং খাদিম ১৬তম গ্রেডে বেতন পাবেন।

মসজিদে কর্মরত জনবলের প্রয়োজন বিবেচনায় সামর্থ্য অনুযায়ী সপরিবারে আবাসনের ব্যবস্থা নিতে মসজিদ ব্যবস্থাপনা কমিটিকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ভবিষ্যৎ নিরাপত্তার জন্য মাসিক সঞ্চয় এবং চাকরি শেষে এককালীন সম্মাননা প্রদানের বিধান রাখা হয়েছে।

নীতিমালায় ছুটির বিষয়টিও সুনির্দিষ্ট করা হয়েছে। কমিটির অনুমোদনক্রমে মসজিদের কর্মীরা প্রতি মাসে সর্বোচ্চ চার দিন সাপ্তাহিক ছুটি ভোগ করতে পারবেন। এছাড়া বছরে ২০ দিন নৈমিত্তিক ছুটি এবং প্রতি ১২ কর্মদিবসে এক দিন করে অর্জিত ছুটির বিধান রাখা হয়েছে।

মসজিদের কোনো পদে নিয়োগের জন্য সাত সদস্যের একটি বাছাই কমিটি গঠনের নির্দেশনা রয়েছে। এই কমিটির সুপারিশ ছাড়া সরাসরি নিয়োগ দেওয়া যাবে না। নিয়োগপত্রে বেতন-ভাতা, দায়িত্ব ও চাকরির শর্তাবলি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে।

নীতিমালায় মসজিদে নিরাপত্তা প্রহরী ও পরিচ্ছন্নতাকর্মীর নতুন পদ সৃষ্টি করা হয়েছে। নারীদের জন্য শরিয়তসম্মতভাবে পৃথক নামাজের স্থান নিশ্চিত করার নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে। মসজিদ ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্য সংখ্যা বাড়িয়ে ১৫ জন করা হয়েছে, তবে মসজিদের আয় ও আয়তন অনুযায়ী সংখ্যা কম-বেশি করার সুযোগ রাখা হয়েছে।

নীতিমালা বাস্তবায়নে কোনো জটিলতা দেখা দিলে তা নিরসনের জন্য জেলা প্রশাসকের নেতৃত্বে তিন সদস্যের একটি কমিটি কাজ করবে। এই নীতিমালা কার্যকর হওয়ার মাধ্যমে ২০০৬ সালের মসজিদ ব্যবস্থাপনা নীতিমালা বাতিল করা হলো।

 

একুশে সংবাদ/ এ.জে

Link copied!