ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২১ অক্টোবর, ২০২১, ৬ কার্তিক ১৪২৮

সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল

Ekushey Sangbad
Janata Bank
Rupalibank

জামায়াত সেক্রেটারিসহ ৭ জনের জামিন নামঞ্জুর


Ekushey Sangbad
একুশে সংবাদ ডেস্ক
০৪:২৮ পিএম, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২১
জামায়াত সেক্রেটারিসহ ৭ জনের জামিন নামঞ্জুর

জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ারসহ সাতজনের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে করা মামলায় আদালত জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন।

কারাগারে যাওয়া অপর আসামিরা হলেন- জামায়াতে ইসলামীর অ্যাসিস্টেন্ট সেক্রেটারি জেনারেল রফিকুল ইসলাম খান, নায়েবে আমির মাওলানা আ ন ম শামসুল ইসলাম, নির্বাহী পরিষদ সদস্য ইজ্জত উল্লাহ, মোবারক হোসেন ও ছাত্র শিবিরের সাবেক সভাপতি ইয়াসিন আরাফাত এবং বাবুর্চি মো. ইমাম হোসেন।

বুধবার (১৫ সেপ্টম্বর) রিমান্ড শেষে তাদের ঢাকা মহানগর হাকিম আদালতে হাজির করে পুলিশ। এরপর মামলার তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাদের কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের পরিদর্শক কাজী ওয়াজেদ আলী।

অন্যদিকে আসামিদের আইনজীবী তাদের জামিন চেয়ে আবেদন করেন। উভয়পক্ষের শুনানি শেষে ঢাকার অতিরিক্ত মহানগর হাকিম তোফাজ্জল হোসেন তাদের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

গত ১২ সেপ্টেম্বর জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার, অ্যাসিস্টেন্ট সেক্রেটারি জেনারেল রফিকুল ইসলাম খান, নির্বাহী পরিষদ সদস্য ইজ্জত উল্লাহ, মোবারক হোসেন ও ছাত্র শিবিরের সাবেক সভাপতি ইয়াসিন আরাফাতের দুইদিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

এর আগে গত ৭ সেপ্টেম্বর তাদের চারদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন ঢাকা মহানগর হাকিম বেগম মাহমুদা আক্তার।

অন্যদিকে ১০ সেপ্টেম্বর ঢাকা মহানগর হাকিম দেবব্রত বিশ্বাস জামায়াতের নায়েবে আমির মাওলানা আ ন ম শামসুল ইসলাম ও বাবুর্চি মো. ইমাম হোসেনের চারদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

গত ৬ সেপ্টেম্বর রাতে ভাটারা থানায় জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ারসহ নয়জনের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা করে পুলিশ। মামলায় অনেককে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়। সেদিনই বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা থেকে তাদের আটক করে পুলিশ।

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) গুলশান বিভাগের উপ-কমিশনার (ডিসি) মো. আসাদুজ্জামান সেদিন বলেছেন, ‘গ্রেফতার জামায়াত নেতারা বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার একটি বাসায় গোপন বৈঠকে মিলিত হয়েছিলেন। বৈঠকে তারা রাষ্ট্রবিরোধী ষড়যন্ত্র ও নাশকতার পরিকল্পনা করছিলেন। গোপন সংবাদে বৈঠকের খবর জানতে পেরে তাদের আটক করি।’

তাদের রাষ্ট্রবিরোধী ষড়যন্ত্রের পরিকল্পনার বৈঠক থেকে আলামত হিসেবে কিছু বই জব্দ করা হয়েছে। এমনকি তাদের জিজ্ঞাসাবাদও চলছে বলে জানিয়েছেন তিনি। তিনি আরো বলেন, জিজ্ঞাসাবাদে তারা কোনো সদুত্তর দিতে পারেননি, কেন বৈঠকে মিলিত হয়েছেন। আমরা ধারণা করছি, রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র ও নাশকতার পরিকল্পনার উদ্দেশ্যে মিলিত হয়েছিলেন। এছাড়া রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকাণ্ড করার জন্য এটা তাদের গোপন বৈঠক ছিল বলেও মন্তব্য করেন তিনি।


একুশে সংবাদ/জা/তাশা