ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিকে মাশহাদে দাফন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) তার জন্মভূমি এবং শিয়া মুসলিমদের অন্যতম পবিত্র স্থান ইমাম রেজার মাজার প্রাঙ্গণে শেষ দাফন সম্পন্ন হয়।
প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, দাফনের আগে মাশহাদ শহরের প্রধান সড়কগুলোতে বিপুলসংখ্যক মানুষের উপস্থিতি দেখা যায়। শোকযাত্রায় একটি সুসজ্জিত গাড়িতে করে মরদেহ ইমাম রেজার মাজারে নেওয়া হয়, যেখানে শেষ ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করা হয়।
গত ৩ জুলাই থেকে ইরানে সাত দিনের রাষ্ট্রীয় শোক পালন শুরু হয়। এ সময়ের মধ্যেই যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে নতুন করে সামরিক উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। মার্কিন বাহিনী একাধিক লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালানোর দাবি করলে এর জবাবে ইরানও মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন স্থানে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক স্থাপনায় ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানোর দাবি করে।
এ পরিস্থিতির মধ্যেও খামেনির শোকযাত্রা অব্যাহত ছিল বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। কোম থেকে মরদেহ ইরাকের নাজাফে নেওয়া হয়। সেখানে ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান, খামেনির বড় ছেলে মোস্তাফা হোসেইনি খামেনিসহ বিভিন্ন ইরাকি কর্মকর্তা ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব শেষ শ্রদ্ধা জানান।
পরবর্তীতে নাজাফ থেকে মরদেহ কারবালায় নেওয়া হয়। সেখানে ইমাম হোসেন (আ.) ও হযরত আব্বাস (আ.)-এর মাজার এলাকায় পৃথক শোকযাত্রা অনুষ্ঠিত হওয়ার পর মরদেহ আবার ইরানে ফিরিয়ে নেওয়া হয়। সর্বশেষ মাশহাদে দাফনের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকতা শেষ হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
প্রতিবেদনগুলোতে আরও দাবি করা হয়েছে, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ বিমান হামলায় আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি নিহত হন।
একুশে সংবাদ/এ.জে



একুশে সংবাদের সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

