AB Bank
  • ঢাকা
  • বুধবার, ১০ জুন, ২০২৬,

সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল

Ekushey Sangbad QR Code
BBS Cables
Janata Bank
  1. জাতীয়
  2. রাজনীতি
  3. সারাবাংলা
  4. আন্তর্জাতিক
  5. অর্থ-বাণিজ্য
  6. খেলাধুলা
  7. বিনোদন
  8. শিক্ষা
  9. তথ্য-প্রযুক্তি
  10. অপরাধ
  11. প্রবাস
  12. রাজধানী

বাহরাইনে ‘মার্কিন নৌবহর’ ও জর্ডানে বিমানঘাঁটিতে হামলা ইরানের


Ekushey Sangbad
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
১০:২৯ এএম, ১০ জুন, ২০২৬

বাহরাইনে ‘মার্কিন নৌবহর’ ও জর্ডানে বিমানঘাঁটিতে হামলা ইরানের

যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক হামলার জবাবে বাহরাইনে মার্কিন পঞ্চম নৌবহর (ফিফথ ফ্লিট) এবং জর্ডানের একটি মার্কিন বিমানঘাঁটিতে হামলা চালানোর দাবি করেছে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি)।

ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমের বরাতে প্রকাশিত খবরে বলা হয়েছে, আইআরজিসি ড্রোন ও দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে এসব হামলা পরিচালনা করেছে বলে দাবি করেছে।

আইআরজিসির এক বিবৃতিতে বলা হয়, ইরানের দক্ষিণাঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের হামলার প্রতিক্রিয়ায় বাহরাইনে অবস্থানরত মার্কিন পঞ্চম নৌবহরকে লক্ষ্য করে ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে। একই সঙ্গে জর্ডানের একটি মার্কিন সামরিক বিমানঘাঁটিতেও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা করা হয়েছে বলে দাবি করা হয়।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, সংঘাত এখনও চলমান এবং যুক্তরাষ্ট্র সামরিক অভিযান অব্যাহত রাখলে আরও কঠোর জবাব দেওয়া হবে।

আইআরজিসির দাবি, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের দক্ষিণাঞ্চলের জাস্ক, সিরিক ও কেশম দ্বীপের বিভিন্ন স্থানে হামলা চালিয়েছে। এতে সিরিকের বেমানি এলাকায় একটি টেলিযোগাযোগ টাওয়ার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং দুটি পানির ট্যাংক ধ্বংস হয়েছে বলে তারা জানিয়েছে।

এছাড়া জর্ডানের বিমানঘাঁটিতে ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্র চারটি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় আঘাত হেনেছে বলে আইআরজিসি দাবি করেছে। তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, লক্ষ্যবস্তুগুলোর মধ্যে একটি এফ-৩৫ যুদ্ধবিমানের হ্যাঙ্গার এবং একটি কমান্ড ও কন্ট্রোল সেন্টারও ছিল।

যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, তাদের সামরিক অভিযান ইরানের কথিত আগ্রাসনের প্রতি "সমানুপাতিক প্রতিক্রিয়া" হিসেবে পরিচালিত হয়েছে।

আইআরজিসি বলেছে, এটি একটি বৃহৎ প্রতিশোধমূলক অভিযানের অংশ। তাদের দাবি, মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে বিভিন্ন মার্কিন বিমান ও নৌঘাঁটির ২১টি লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালানো হয়েছে। এছাড়া ইরানের আকাশসীমায় একটি মার্কিন এমকিউ-৯ ড্রোন ভূপাতিত করার দাবিও করেছে বাহিনীটি।

এদিকে কুয়েতের সশস্ত্র বাহিনীর জেনারেল স্টাফ জানিয়েছে, দেশের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় রয়েছে এবং সম্ভাব্য ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হুমকি মোকাবিলায় সক্রিয় রয়েছে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বার্তায় কুয়েতের সেনাবাহিনী নাগরিকদের সরকারি নিরাপত্তা নির্দেশনা অনুসরণ এবং কেবল সরকারি সূত্র থেকে তথ্য সংগ্রহের আহ্বান জানিয়েছে।

উল্লেখ্য, এ প্রতিবেদনে বর্ণিত হামলা ও ক্ষয়ক্ষতির অনেক দাবিই সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর বক্তব্যের ওপর ভিত্তি করে উপস্থাপিত হয়েছে এবং স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

 

একুশে সংবাদ/ এ.জে

Link copied!