কুয়েতের আকাশসীমায় একটি মার্কিন এফ–১৫ যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে যুদ্ধবিমানটি আকাশে থাকা অবস্থায় হঠাৎ নিচে পড়ে যেতে দেখা যায়।
ভিডিওতে আরও দেখা যায়, অন্তত একজন পাইলট দুর্ঘটনার আগেই ইজেক্ট করে নিরাপদে বেরিয়ে আসতে সক্ষম হন। তবে বিমানটি কী কারণে বিধ্বস্ত হয়েছে— সে বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীর পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য দেওয়া হয়নি।
এদিকে ইরানের জাতীয় নিরাপত্তা সংক্রান্ত শীর্ষ কর্মকর্তা আলি লারিজানি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বিবৃতিতে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যেকোনো ধরনের আলোচনা নাকচ করে দিয়েছেন। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, ইরান ওয়াশিংটনের সঙ্গে কোনো আলোচনায় বসবে না।
মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে ইরান নতুন করে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা শুরু করতে চায়— এমন কিছু আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের প্রতিবেদনের প্রতিক্রিয়ায় লারিজানি এই মন্তব্য করেন।
তিনি যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে কঠোর ভাষায় সমালোচনা করে বলেন, ট্রাম্পের ‘ভ্রান্ত আশ্বাস’ গোটা অঞ্চলকে বিশৃঙ্খলার দিকে ঠেলে দিয়েছে এবং এখন মার্কিন সেনাদের প্রাণহানির ঝুঁকি আরও বেড়েছে।
লারিজানির দাবি, ট্রাম্প তার ঘোষিত ‘আমেরিকা ফার্স্ট’ নীতিকে কার্যত ‘ইসরায়েল ফার্স্ট’-এ পরিণত করেছেন এবং ইসরায়েলের রাজনৈতিক ও সামরিক লক্ষ্য পূরণে মার্কিন সেনাদের ঝুঁকির মুখে ঠেলে দিচ্ছেন।
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যে এই যুদ্ধবিমান বিধ্বস্তের ঘটনা নতুন করে পরিস্থিতি আরও জটিল করে তুলেছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
একুশে সংবাদ/এ.জে



একুশে সংবাদের সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

