পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত ইরানের আকাশসীমা সম্পূর্ণ বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে দেশটির কর্তৃপক্ষ। ইরানের বেসামরিক বিমান চলাচল সংস্থার মুখপাত্র মাজিদ আখভান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম মেহের নিউজ এজেন্সিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, জাতীয় নিরাপত্তাজনিত পরিস্থিতির কারণে পুরো দেশের আকাশসীমায় বেসামরিক বিমান চলাচল স্থগিত রাখা হয়েছে।
এর আগে সম্ভাব্য পাল্টা হামলার আশঙ্কায় নিজেদের আকাশসীমা বন্ধ ঘোষণা করে ইসরায়েল। শনিবার সকালে ইরানের বিভিন্ন অঞ্চলে হামলার পরপরই দেশটির বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ এই সিদ্ধান্তের কথা জানায়। একই সঙ্গে সাধারণ মানুষকে বিমানবন্দরে না যাওয়ার জন্য অনুরোধ করা হয়।
এদিকে ইসরায়েলজুড়ে সতর্কতামূলক সাইরেন বাজানো হচ্ছে। ইসরায়েল প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) দেশটির নাগরিকদের কাছে একটি জাতীয় সতর্কতা বার্তা পাঠিয়েছে, যেখানে সবাইকে নিরাপদ আশ্রয়ের কাছাকাছি অবস্থান করার নির্দেশ দেওয়া হয়।
আইডিএফ জানায়, ইসরায়েলের দিকে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপের সম্ভাবনার বিষয়ে জনসাধারণকে প্রস্তুত রাখতেই এই সক্রিয় সতর্কতা জারি করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, শনিবার সকালে ইসরায়েলি বিমান বাহিনী ইরানের রাজধানী তেহরানসহ বিভিন্ন এলাকায় হামলা শুরু করে। হামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাটজ জানান, ইরানের বিরুদ্ধে একটি ‘পূর্বপরিকল্পিত সামরিক অভিযান’ চালানো হচ্ছে, যার লক্ষ্য ইসরায়েলের প্রতি সম্ভাব্য হুমকি প্রতিহত করা।
ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম চ্যানেল ১২ নিরাপত্তা সূত্রের বরাত দিয়ে জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যৌথভাবে এই হামলা চালিয়েছে।
অন্যদিকে ইরানের ফার্স সংবাদ সংস্থা জানিয়েছে, তেহরানের ইউনিভার্সিটি স্ট্রিট ও জোমহুরি এলাকাসহ কয়েকটি স্থানে ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হেনেছে।
একুশে সংবাদ/এ.জে



একুশে সংবাদের সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

