AB Bank
  • ঢাকা
  • শুক্রবার, ০৫ জুন, ২০২৬,

সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল

Ekushey Sangbad QR Code
BBS Cables
Janata Bank
  1. জাতীয়
  2. রাজনীতি
  3. সারাবাংলা
  4. আন্তর্জাতিক
  5. অর্থ-বাণিজ্য
  6. খেলাধুলা
  7. বিনোদন
  8. শিক্ষা
  9. তথ্য-প্রযুক্তি
  10. অপরাধ
  11. প্রবাস
  12. রাজধানী

থাইল্যান্ডে আজ সংসদ নির্বাচন, সঙ্গে গণভোট


Ekushey Sangbad
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
১০:১০ এএম, ৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

থাইল্যান্ডে আজ সংসদ নির্বাচন, সঙ্গে গণভোট

দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশ থাইল্যান্ডে আজ রোববার জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। একই দিনে সংবিধান সংশোধন সংক্রান্ত গণভোটও অনুষ্ঠিত হচ্ছে। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম বিবিসির খবরে জানানো হয়েছে, সকাল থেকেই দেশটিতে ভোটগ্রহণ কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

নির্ধারিত সময়ের আগেই এ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। সর্বশেষ ২০২৩ সালে থাইল্যান্ডে সংসদ নির্বাচন হয়। সে সময় নির্বাচিত প্রতিনিধিদের চার বছরের মেয়াদ পূর্ণ করার কথা থাকলেও রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই সংসদ ভেঙে দিয়ে নতুন নির্বাচনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

কেন আগাম নির্বাচন

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ২০২৫ সালে দেশটির অভ্যন্তরীণ ও আঞ্চলিক ঘটনাপ্রবাহ দ্রুত রাজনৈতিক সংকটের দিকে ঠেলে দেয় থাইল্যান্ডকে।

২০২৫ সালের মে মাসে প্রতিবেশী দেশ কম্বোডিয়ার সঙ্গে সীমান্তে উত্তেজনা চরমে পৌঁছায়। ওই সময় সীমান্তে সংঘর্ষে এক থাই সেনা নিহত হন। ঘটনার পর পরিস্থিতি সামাল দিতে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী পায়েতোংতার্ন সিনাওয়াত্রা কম্বোডিয়ার সরকারপ্রধান হুন সেনের সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলেন।

পরবর্তী মাস জুনে সেই ফোনালাপ ফাঁস হয়ে গেলে পরিস্থিতি আরও ঘোলাটে হয়ে ওঠে। ফাঁস হওয়া কথোপকথনে প্রধানমন্ত্রী সিনাওয়াত্রা হুন সেনকে ‘আংকেল’ সম্বোধন করেন এবং নিজের দেশের সেনাবাহিনীর ভূমিকা নিয়ে সমালোচনা করেন—এমন অভিযোগ ওঠে। এতে দেশজুড়ে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়।

এই ঘটনার জেরে ক্ষমতাসীন ফিউ থাই পার্টির প্রধান শরিক ভূমজাইথাই পার্টি জোট থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দেয়। ফলে সরকার সংসদে সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারানোর মুখে পড়ে এবং রাজনৈতিক অচলাবস্থা তৈরি হয়।

পরিস্থিতির ধারাবাহিকতায় ২০২৫ সালের আগস্টে থাইল্যান্ডের সাংবিধানিক আদালত রায় দেয়, প্রধানমন্ত্রী নৈতিকতার লঙ্ঘন করেছেন। আদালতের রায়ের ফলে পায়েতোংতার্ন সিনাওয়াত্রা প্রধানমন্ত্রীর পদ হারান।

এরপর সেপ্টেম্বর মাসে সংসদের দ্বিতীয় বৃহৎ দল ভূমজাইথাই পার্টির নেতা অনুতিন চার্নভিরাকুল ‘পোগ্রেসিভ পিপলস পার্টি’র সঙ্গে জোট গঠন করে সরকার প্রধানের দায়িত্ব নেন। তবে নতুন সরকার গঠনের অন্যতম শর্ত ছিল সংসদ ভেঙে দিয়ে দ্রুত নির্বাচন আয়োজন।

সে অনুযায়ী ডিসেম্বর ২০২৫-এ সংসদ ভেঙে দেওয়া হয় এবং আজকের নির্বাচনের পথ তৈরি হয়।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, আজকের নির্বাচন ও গণভোট থাইল্যান্ডের ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে বিবেচিত হচ্ছে।

 

একুশে সংবাদ/এ.জে

Link copied!