AB Bank
  • ঢাকা
  • সোমবার, ১৫ জুন, ২০২৬,

সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল

Ekushey Sangbad QR Code
BBS Cables
Janata Bank
  1. জাতীয়
  2. রাজনীতি
  3. সারাবাংলা
  4. আন্তর্জাতিক
  5. অর্থ-বাণিজ্য
  6. খেলাধুলা
  7. বিনোদন
  8. শিক্ষা
  9. তথ্য-প্রযুক্তি
  10. অপরাধ
  11. প্রবাস
  12. রাজধানী

মার্কিন হামলা ঠেকাতে প্রস্তুত ইরান, পাল্টা জবাবের হুঁশিয়ারি


Ekushey Sangbad
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
০৯:৪৯ এএম, ২৯ জানুয়ারি, ২০২৬

মার্কিন হামলা ঠেকাতে প্রস্তুত ইরান, পাল্টা জবাবের হুঁশিয়ারি

যেকোনো মার্কিন সামরিক আগ্রাসনের জবাবে তাৎক্ষণিক ও কঠোর প্রতিক্রিয়া জানানো হবে—এমন হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরান। দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি বুধবার (২৮ জানুয়ারি) বলেন, ইরানের সশস্ত্র বাহিনী সর্বোচ্চ প্রস্তুত অবস্থায় রয়েছে। একই সঙ্গে তিনি তেহরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে নতুন কোনো সমঝোতার সম্ভাবনাও পুরোপুরি নাকচ করেননি। বার্তা সংস্থা এএফপির খবরে এসব তথ্য জানানো হয়।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের সঙ্গে সামরিক সংঘাত এড়ানোর সময় দ্রুত ফুরিয়ে আসছে—এমন মন্তব্য করার পরই কড়া প্রতিক্রিয়া জানালেন ইরানের শীর্ষ কূটনীতিক। তিনি বলেন, মার্কিন হামলার ক্ষেত্রে ইরানের প্রতিরক্ষা বাহিনীর ‘আঙুল ট্রিগারের ওপর’ রয়েছে এবং প্রয়োজন হলে শক্ত জবাব দেওয়া হবে।

তবে একইসঙ্গে ট্রাম্প প্রশাসনের বক্তব্যের সুরের সঙ্গে মিল রেখে আব্বাস আরাঘচি ইঙ্গিত দেন, পারমাণবিক ইস্যুতে আলোচনার মাধ্যমে অচলাবস্থা কাটানোর সুযোগ এখনও রয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বার্তায় তিনি বলেন, ইরান সবসময়ই সমমর্যাদা, ন্যায্যতা ও পারস্পরিক স্বার্থের ভিত্তিতে একটি নতুন পারমাণবিক চুক্তিকে স্বাগত জানাতে প্রস্তুত—যেখানে কোনো ধরনের চাপ, হুমকি বা ভীতি প্রদর্শনের স্থান থাকবে না।

আরাঘচির ভাষায়, এমন চুক্তি হতে হবে যা ইরানের শান্তিপূর্ণ পারমাণবিক প্রযুক্তি ব্যবহারের অধিকার নিশ্চিত করবে এবং পারমাণবিক অস্ত্র অর্জনের অভিযোগের অবসান ঘটাবে। তিনি পুনরায় দাবি করেন, ইরানের নিরাপত্তা নীতিতে পারমাণবিক অস্ত্রের কোনো স্থান নেই এবং দেশটি কখনোই তা অর্জনের চেষ্টা করেনি।

এর আগে ট্রাম্প সতর্ক করে জানান, মার্কিন নৌবাহিনীর একটি বড় রণতরী বহর ইরানের জলসীমার দিকে অগ্রসর হচ্ছে এবং প্রয়োজনে দ্রুত ও কঠোর অভিযান চালাতে প্রস্তুত রয়েছে। একই সুরে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও মন্তব্য করেন, ইরানের নেতৃত্ব বর্তমানে তাদের ইতিহাসের সবচেয়ে দুর্বল অবস্থায় রয়েছে।

এদিকে ইউরোপের কয়েকটি দেশও তেহরানের ওপর চাপ বাড়াচ্ছে। জার্মানি ও ফ্রান্স যৌথভাবে ইউরোপীয় ইউনিয়নকে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)–কে সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে ঘোষণার আহ্বান জানিয়েছে। এরই মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা আইআরজিসিকে সন্ত্রাসী তালিকাভুক্ত করেছে।

বিশ্লেষকদের মতে, ১৯৭৯ সালের বিপ্লবের পর ক্ষমতায় থাকা ইরানি শাসনব্যবস্থার ওপর চাপ বাড়াতে যুক্তরাষ্ট্র সামরিক স্থাপনা বা শীর্ষ নেতৃত্বকে লক্ষ্য করে হামলার পথও বিবেচনায় রাখতে পারে। এই প্রেক্ষাপটে উত্তেজনা প্রশমনে ইরান আঞ্চলিক কূটনীতিতে সক্রিয় হয়েছে। সম্প্রতি সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের সঙ্গে ফোনে কথা বলেছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। পাশাপাশি কাতার ও মিসরের শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গেও যোগাযোগ হয়েছে।

অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক মানবাধিকার সংস্থা এইচআরএএনএ জানিয়েছে, সাম্প্রতিক সরকারবিরোধী বিক্ষোভে এখন পর্যন্ত ৬ হাজার ২২১ জন নিহত হওয়ার তথ্য তারা নিশ্চিত করেছে। নিহতদের মধ্যে বিক্ষোভকারী ও নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য রয়েছেন। সংস্থাটি অভিযোগ করেছে, আহত বিক্ষোভকারীদের খুঁজতে হাসপাতালগুলোতেও অভিযান চালাচ্ছে ইরানের নিরাপত্তা বাহিনী, যা দমন-পীড়নের নতুন মাত্রা নির্দেশ করে।

 

একুশে সংবাদ/এ.জে

Link copied!