AB Bank
  • ঢাকা
  • বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই, ২০২৬,

সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল

Ekushey Sangbad QR Code
BBS Cables
Janata Bank
  1. জাতীয়
  2. রাজনীতি
  3. সারাবাংলা
  4. আন্তর্জাতিক
  5. অর্থ-বাণিজ্য
  6. খেলাধুলা
  7. বিনোদন
  8. শিক্ষা
  9. তথ্য-প্রযুক্তি
  10. অপরাধ
  11. প্রবাস
  12. রাজধানী

গলাচিপায় বর্ণাঢ্য আয়োজনে শ্রীশ্রী জগন্নাথদেবের রথযাত্রা উদযাপিত



গলাচিপায় বর্ণাঢ্য আয়োজনে শ্রীশ্রী জগন্নাথদেবের রথযাত্রা উদযাপিত

পটুয়াখালীর গলাচিপায় ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও উৎসবমুখর পরিবেশে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম ধর্মীয় উৎসব শ্রীশ্রী জগন্নাথদেবের রথযাত্রা উদযাপিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) বিকেল ৫টায় গলাচিপা শ্রীশ্রী কেন্দ্রীয় কালিবাড়ি প্রাঙ্গণ থেকে জগন্নাথদেবের বিগ্রহ সুসজ্জিত রথে নিয়ে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের করা হয়। শোভাযাত্রাটি পৌর শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে সাহা বাড়ির মন্দিরে গিয়ে শেষ হয়। সেখানে আগামী এক সপ্তাহ জগন্নাথদেবের বিগ্রহ অবস্থান করবে। পরে আগামী ২৪ জুলাই শুক্রবার উল্টো রথযাত্রার মাধ্যমে বিগ্রহটি পুনরায় কেন্দ্রীয় কালিবাড়িতে ফিরিয়ে আনা হবে।

রথযাত্রায় ভক্ত-অনুরাগীদের পাশাপাশি বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন। শঙ্খধ্বনি, উলুধ্বনি, কীর্তন ও ধর্মীয় সংগীতে পুরো শোভাযাত্রা উৎসবমুখর হয়ে ওঠে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন গলাচিপা শ্রীশ্রী কেন্দ্রীয় কালিবাড়ি পরিচালনা কমিটির আহ্বায়ক রামকৃষ্ণ পাল, সদস্য সচিব সুখরঞ্জন বণিক, কমিটির সদস্যবৃন্দ এবং স্থানীয় বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

হিন্দু ধর্মীয় শাস্ত্র ও বৈষ্ণব ঐতিহ্য অনুযায়ী, আষাঢ় মাসের শুক্লপক্ষের দ্বিতীয়া তিথিতে শ্রীজগন্নাথদেব তাঁর জ্যেষ্ঠ ভ্রাতা শ্রীবলরাম (বলভদ্র) এবং ভগিনী দেবী শুভদ্রাকে সঙ্গে নিয়ে রথে আরোহণ করে শ্রীমন্দির থেকে গুণ্ডিচা মন্দিরে যাত্রা করেন। ভক্তদের কাছে গুণ্ডিচা মন্দির ‘মাসির বাড়ি’ নামে পরিচিত।

প্রচলিত বিশ্বাস অনুযায়ী, বছরে একবার জগন্নাথদেব তাঁর ভাই ও বোনকে নিয়ে মাসির বাড়িতে যান এবং সেখানে সাত দিন অবস্থান করেন। পরে আষাঢ় মাসের শুক্লপক্ষের দশমী তিথিতে ‘উল্টো রথ’ বা ‘বাহুড়া যাত্রা’র মাধ্যমে তাঁরা নিজ আবাসে ফিরে আসেন।

ভক্তদের বিশ্বাস, রথযাত্রা শুধু একটি ধর্মীয় উৎসব নয়, এটি ভগবান ও ভক্তের মিলনের প্রতীক। এ উৎসবের মাধ্যমে ভগবান মন্দিরের গণ্ডি পেরিয়ে সাধারণ মানুষের কাছে আসেন, যাতে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাই তাঁর দর্শন ও আশীর্বাদ লাভের সুযোগ পান।

 

একুশে সংবাদ/এ.জে

সর্বোচ্চ পঠিত - সারাবাংলা

Link copied!