৬ ঘন্টার ব্যবধানে কোটচাঁদপুর রেলস্টেশন প্লাটফর্মের উপর আবারও প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এবার স্টেশনের সহকারী স্টেশন মাস্টার মনিদেব দাসের অপসারণ চেয়ে প্রতিবাদ সভা করেছেন রেলস্ট্রেশন বাজারের ইজারাদার মনোয়ার হোসেন আলামিন।
তিনি বলেন,আমি রেলস্টেশন বাজারের বৈধ ইজারাদার। আমার কাছে তাঁর বৈধ কাগজপত্রও আছে। সে অনুযায়ী আমি টাকা তুলে আসছিলাম। অন্যদিকে স্টেশন মাস্টারাও স্টেশনে আসা যাত্রীদের কাছ থেকে জোর পূর্বক টাকা নিয়ে থাকেন।
বিষয়টি নিয়ে কথা বলায়,স্টেশনের বড় মাস্টার মোশাররফ হোসেনের যোগ সাজসে উল্টো আমার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজ,মাদক বিক্রেতা,সন্ত্রাসী সহ একাধিক অভিযোগ এনে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার আবেদন করেছেন।
এরপর গেল ৯ জুলাই মনিদেব দাস স্টেশনের এক যাত্রীর কাছ থেকে টাকা চাইলে, বাদে বিপত্তি। একপর্যায় যাত্রীরা ক্ষিপ্ত হয়ে তাঁর উপর চড়াও হয়ে শারীরিক ভাবে হেনস্তা করেন। এই বিষয়টি তিনি আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা ও কুৎসা ছড়িয়ে বেড়াচ্ছেন। যে বিষয়টি আমার দৃষ্টি আকর্ষণ হয়েছে। আমি উক্ত ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি। সাথে সাথে মিথ্যা বাদী,চক্রান্তকারী,দুনীতিবাজ স্টেশন মাস্টারের অপসারণের দাবীও তোলেন।
অন্যদিকে সকাল ১১ টার দিকে ইজারাদার মনোয়ার হোসেন আলামিন ও তাঁর ছেলে তানভির সহ কয়েক জনকে চাঁদাবাজ,সন্ত্রাসী, হামলাকারী আখ্যা দিয়ে প্রতিবাদ সভা করেন,বাংলাদেশ স্টেশন মাস্টার ও কর্মচারী ইউনিয়ন।
সংগঠনটির নেতৃবৃন্দরা স্টেশন মাস্টার মনিদেব দাসের উপর হামলাকারীদের ৪৮ ঘন্টার মধ্যে গ্রেফতারের দাবি জানিয়েছেন প্রতিবাদ সভা থেকে। অন্যথায় ৪৮ ঘন্টা পর তারা আন্দোলনের কঠোর কর্মসুচী দিবেন বলে হুমিয়ারিও দেন ওই সভা থেকে।
এ ব্যাপারে কোটচাঁদপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা দীপা রানী সরকার বলেন,ইজারাদা নিয়ে কি হচ্ছে এটা আমার ভালভাবে জানা নাই। তবে আলামিন যে ঘটনা ঘটিয়েছে, সেটা হল সে ভূল ভেবে স্টেশন মাস্টার মনিদেবকে মারছে।
এ ছাড়া দীর্ঘদিন ধরে তাঁর বিরুদ্ধে যাত্রীদের অনেক অভিযোগ রয়েছে। সে স্টেশনের ভিতরে গিয়ে যাত্রীদের কাছ থেকে জোর করে টাকা নিয়ে থাকেন। যার কোন নিয়ম নাই। আর স্টেশন মাস্টাররা যে প্লাটফর্মের উপর থেকে টাকা নিয়ে থাকেন,তাঁর কোন তথ্য আমার জানা নাই।
একুশে সংবাদ/ওজি



একুশে সংবাদের সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

