AB Bank
  • ঢাকা
  • শনিবার, ১১ জুলাই, ২০২৬,

সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল

Ekushey Sangbad QR Code
BBS Cables
Janata Bank
  1. জাতীয়
  2. রাজনীতি
  3. সারাবাংলা
  4. আন্তর্জাতিক
  5. অর্থ-বাণিজ্য
  6. খেলাধুলা
  7. বিনোদন
  8. শিক্ষা
  9. তথ্য-প্রযুক্তি
  10. অপরাধ
  11. প্রবাস
  12. রাজধানী

ফের ধস মতলব সেতুর সংযোগ সড়কে, ঝুঁকি নিয়ে চলছে যানবাহন



ফের ধস মতলব সেতুর সংযোগ সড়কে, ঝুঁকি নিয়ে চলছে যানবাহন

চাঁদপুরের ধনাগোদা নদীর ওপর নির্মিত মতলব সেতুর উত্তর সংযোগ সড়কে আবারও ধস দেখা দিয়েছে। ভারী বর্ষণের ফলে সড়কের একাংশ দেবে গিয়ে বড় আকারের সুড়ঙ্গের সৃষ্টি হয়েছে, যা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা ও যানবাহন চালকদের মধ্যে চরম উদ্বেগ ও আতঙ্ক দেখা দিয়েছে।

​শুক্রবার (১০ জুলাই) বিকেলে ঘটনাস্থল ঘুরে দেখা যায়, সেতুর উত্তর পাশের বাইশপুর এলাকায় সড়কের নিচের মাটি সরে গিয়ে বড় একটি গহ্বর তৈরি হয়েছে। এর ফলে সড়কটি চলাচলের জন্য অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। এই গুরুত্বপূর্ণ সড়কটি দিয়ে চাঁদপুর, নোয়াখালী ও লক্ষ্মীপুরসহ আশেপাশের কয়েক জেলার হাজার হাজার মানুষ এবং শত শত যানবাহন প্রতিদিন যাতায়াত করে।

​স্থানীয়দের সাথে কথা বলে জানা যায়, এটি কেবল বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়; কয়েক মাস আগেও একই স্থানে ধস নেমেছিল। স্থানীয়দের অভিযোগ, ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের সংস্কার কাজের মান নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। অল্প বৃষ্টিতেই যদি সড়ক দেবে গিয়ে সুড়ঙ্গ তৈরি হয়, তবে বড় কোনো দুর্ঘটনার আশঙ্কা উড়িয়ে দেয়া যায় না।

​নিয়মিত যাতায়াতকারী মিজানুর রহমান বলেন, ‘আমরা প্রতিদিন এই সড়ক দিয়ে ভয়ে ভয়ে চলি। যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে, অথচ কর্তৃপক্ষ স্থায়ী কোনো সমাধানে নজর দিচ্ছে না।’

​ইউপি সদস্য গোলাম নবী খোকন আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, ‘এভাবে বারবার ধস নামলে তা সেতুর কাঠামোগত নিরাপত্তার জন্যও বড় ধরনের হুমকি হয়ে দাঁড়াবে।’

​এ বিষয়ে মতলব দক্ষিণ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কে এম ইশমাম বলেন, ‘টানা ভারী বৃষ্টির কারণে সড়কের নিচে মাটির ক্ষয় হয়ে এই সুড়ঙ্গের সৃষ্টি হয়েছে। ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি এবং দ্রুত মেরামতের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে কাজ শুরু হয়েছে।’

​চাঁদপুর সড়ক ও জনপদ বিভাগের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তারা তাৎক্ষণিকভাবে জিও ব্যাগ ফেলে ধসে পড়া অংশ সংস্কারের কাজ শুরু করেছে। বর্তমানে যানবাহন চলাচলে বড় কোনো বাধা নেই। তবে এলাকাবাসী স্থায়ী সমাধানের দাবি জানিয়ে আসছেন।

 

একুশে সংবাদ/ওজি

সর্বোচ্চ পঠিত - সারাবাংলা

Link copied!