AB Bank
  • ঢাকা
  • শুক্রবার, ১৯ জুন, ২০২৬,

সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল

Ekushey Sangbad QR Code
BBS Cables
Janata Bank
  1. জাতীয়
  2. রাজনীতি
  3. সারাবাংলা
  4. আন্তর্জাতিক
  5. অর্থ-বাণিজ্য
  6. খেলাধুলা
  7. বিনোদন
  8. শিক্ষা
  9. তথ্য-প্রযুক্তি
  10. অপরাধ
  11. প্রবাস
  12. রাজধানী
এমপি আব্দুল আজিজ

কৃষির টেকসই উন্নয়নে কৃষকদের দক্ষতা বৃদ্ধি ও আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার প্রয়োজন



কৃষির টেকসই উন্নয়নে কৃষকদের দক্ষতা বৃদ্ধি ও আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার প্রয়োজন

নাটোর-৪ (গুরুদাসপুর-বড়াইগ্রাম) আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ মো. আব্দুল আজিজ বলেছেন, কৃষির টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে কৃষকদের দক্ষতা বৃদ্ধি, আধুনিক কৃষি প্রযুক্তির ব্যবহার এবং সচেতনতা বাড়ানোর বিকল্প নেই। খাদ্য ও পুষ্টি নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি গ্রামীণ অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করতে হবে।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) নাটোরের বড়াইগ্রাম উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উদ্যোগে আয়োজিত ‘পার্টনার কংগ্রেস’-এ প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

এমপি আব্দুল আজিজ বলেন, কৃষিপণ্য উৎপাদনে পরিমিত মাত্রায় জৈব ও রাসায়নিক উপকরণ ব্যবহার করতে হবে, যাতে খাদ্যের গুণগত মান অক্ষুণ্ন থাকে। উত্তম কৃষি চর্চার মাধ্যমে উৎপাদিত ফল ও সবজির মান বজায় রাখা এবং নিরাপদ খাদ্য উৎপাদনে গুরুত্ব দিতে হবে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা লায়লা জান্নাতুল ফেরদৌসের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন পার্টনার প্রকল্পের রাজশাহী অঞ্চলের সিনিয়র মনিটরিং অফিসার মো. আব্দুল লতিফ, নাটোর জেলার অতিরিক্ত কৃষি কর্মকর্তা কল্যাণ প্রসাদ রায় এবং উপজেলা সমবায় কর্মকর্তা মো. আমজাদ হোসেন।

অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. সজীব আল মারুফ। সঞ্চালনা করেন উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা মোছা. হুসনেয়ারা খাতুন।

এ সময় উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা মাহদী হাসান, জোয়াড়ী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আলী আকবর, বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, কৃষক-কৃষাণী এবং সংশ্লিষ্ট অংশীজনরা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা জানান, উপজেলার কৃষকদের আধুনিক ও জ্ঞানভিত্তিক কৃষি চর্চায় উদ্বুদ্ধ করতে ইতোমধ্যে ৩৫টি কৃষক পার্টনার স্কুল গঠন করা হয়েছে। প্রতিটি স্কুলে ২৫ জন করে কৃষক সদস্য রয়েছেন। এসব স্কুলের মাধ্যমে উত্তম কৃষি চর্চা, ফল ও সবজি উৎপাদনের মানদণ্ড, উচ্চ ফলনশীল ধানের জাত সম্প্রসারণ এবং কৃষি উদ্যোক্তা তৈরির বিষয়ে নিয়মিত প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে।

বক্তারা বলেন, আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর কৃষি ব্যবস্থার মাধ্যমে উৎপাদন বৃদ্ধি, নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতকরণ এবং কৃষকদের আয় বাড়ানো সম্ভব। এ লক্ষ্য অর্জনে কৃষকদের প্রশিক্ষণ ও সক্ষমতা বৃদ্ধির কার্যক্রম আরও জোরদার করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

 

একুশে সংবাদ/এ.জে

Link copied!