লক্ষ্মীপুরে খাল পুনঃখনন শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছেন পানিসম্পদ মন্ত্রী শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি। তিনি বলেন, এতে ফসলের উৎপাদন দ্বিগুণ হবে, জলাবদ্ধতা কমবে এবং মাছের চাষ বাড়বে।
শনিবার (১৮ এপ্রিল) সদর উপজেলার উত্তর জয়পুরে এক উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি জানান, এ প্রকল্পের মাধ্যমে প্রায় ৬০০ হেক্টর জমির কৃষক উপকৃত হবেন এবং কর্মসংস্থানও সৃষ্টি হবে।
দীর্ঘদিন খাল ভরাট ও দখলের কারণে পানি নিষ্কাশন ব্যাহত হওয়ায় এমন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
`অতিদরিদ্রদের জন্য কর্মসংস্থান কর্মসূচি (ইজিপিপি)` প্রকল্পের আওতায় ওই ইউনিয়নের কাইচ্চা বাড়ি থেকে মনোহরপুর হাজির ব্রীজ হয়ে ইউসুফপুর রহমতখালী পর্যন্ত খাল পুনঃখননের কাজ হাতে নেওয়া হয়েছে।
পানিসম্পদ মন্ত্রী বলেন, খালটি পুনঃখনন হলে এ এলাকার ৬০০ হেক্টর জমির চাষীরা সবচেয়ে বেশি উপকৃত হবেন। ফসলের উৎপাদন দ্বিগুণ হবে। শুষ্ক মৌসুমে খাল থেকে সেচের মাধ্যমে পানি দিলে ধানের উৎপাদন দ্বিগুণ হবে। আরেকদিকে এ অঞ্চলে জলাবদ্ধতা থাকবে না।
শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেন, দীর্ঘদিন খাল খনন না হওয়ার কারণে ভূগর্ভস্থ পানির লেয়ার দিন দিন নীচে মেমে যাচ্ছে। অনেকসময় ডিপ টিউবয়েল দিয়েও পানি পাওয়া যাচ্ছে না। আমরা এ এলাকার মানুষ নদী এবং সমুদ্রের পাড়ে মানুষ। উপকূলীয় অঞ্চলের মানুষ। অদূর ভবিষ্যতে এ অচলাবস্থা চলতে থাকলে আগামী ৩০-৪০-৫০ বছরে এখানে থাকার কোন উপযোগী পরিবেশ থাকবে না।
বরং এ অঞ্চল পানির নীচে চলে যাবে। আমি যদি এখনই সচেতন না হই, সরকার যদি জনগণের পাশে না দাঁড়ায়, এ কর্মসূচি যদি আমরা শুরু না করি, এ বিপ্লব এ আন্দোলন আমরা যদি অব্যাহত না রাখি, তাহলে কঠিন পরিবেশ-পরিস্থিতি আমাদেরকে মোকাবিলা করতে হবে। সে জন্য এ অঞ্চলের জন্য খাল খনন কর্মসূচি খুবই গুরুত্বপূর্ণ, খুবই প্রয়োজন।
একুশে সংবাদ/ওজি



একুশে সংবাদের সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

