AB Bank
  • ঢাকা
  • শুক্রবার, ১২ জুন, ২০২৬,

সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল

Ekushey Sangbad QR Code
BBS Cables
Janata Bank
  1. জাতীয়
  2. রাজনীতি
  3. সারাবাংলা
  4. আন্তর্জাতিক
  5. অর্থ-বাণিজ্য
  6. খেলাধুলা
  7. বিনোদন
  8. শিক্ষা
  9. তথ্য-প্রযুক্তি
  10. অপরাধ
  11. প্রবাস
  12. রাজধানী

সরকারি খালে অবৈধ বাঁধে জলাবদ্ধতা, তলিয়ে গেল ৫ হাজার বিঘা ধান


Ekushey Sangbad
আব্দুল ওয়াহাব, চাঁপাইনবাবগঞ্জ
১০:১১ পিএম, ১৭ এপ্রিল, ২০২৬

সরকারি খালে অবৈধ বাঁধে জলাবদ্ধতা, তলিয়ে গেল ৫ হাজার বিঘা ধান

চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোল ও গোমস্তাপুর উপজেলায় থাকা হাজারবিঘী বিলের ইজারাদার সরকারি খালে অবৈধভাবে বাঁধ নির্মাণের কারনে পানির নিচে তলিয়ে যায় ৫ হাজার বিঘা জমির ধান।

আসন্ন বর্ষা মৌসুমেও তলিয়ে যাওয়ার আশঙ্কায় অবৈধ বাঁধ অপসারণের দাবিতে মানববন্ধন করেছেন কৃষকরা।এ সময় কৃষকদের সাথে তাদের সন্তানরাও বিভিন্ন দাবী সম্বলিত প্লাকার্ড হাতে বাবার সাথে মাঠে নামে।
শুক্রবার দুপুরে হাজারবিঘী বিলের ধারে চার শতাধিক কৃষক এই মানববন্ধনে অংশগ্রহণ করেন।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, গত ৫ বছর আগে বিল ইজারা নিয়ে পাশে থাকা একটি সরকারি খাল রাতের অন্ধকারে জোরপূর্বক কনক্রিটের বাঁধ দেয় ইজারাদার নাসিম। এতে গতবছর বিলের আশেপাশে থাকা প্রায় ৫ হাজার বিঘা জমির ধান পানির নিচে সম্পূর্ণভাবে তলিয়ে যায়। এতে ঘরে ধান তুলতে না পেরে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয় হাজারো কৃষকের।

আসন্ন বর্ষা মৌসুমেও এসব জমি তলিয়ে যাওয়ার আতঙ্কে দিন পার করছেন কৃষকরা। এনিয়ে প্রশাসনকে দফায় দফায় লিখিত অভিযোগ দিলে সরেজমিনে পরিদর্শন করে অবৈধ বাঁধ অপসারণের আশ্বস দিলেও কোন পদক্ষেপ নেয়া হয়নি।

উল্টো কৃষকদের নানারকম হুমকি-ধামকি ও মামলার ভয়ভীতি দেখাচ্ছে ইজারাদার। দ্রুত সময়ের মধ্যে অবৈধ বাঁধ অপসারণ না করলে কঠোর আন্দোলন গড়ে তোলার হুশিয়ারি দেন কৃষকরা।

কৃষক জাহাঙ্গীর আলম জানান, গত সপ্তাহে তারা নাচোল উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ে তাদের সমস্যা তুলে ধরে এর সমাধান চাইলেও গত ১০ দিনেও সমস্যার সুরাহা হয়নি।তাই দ্রুত বাঁধটি ভেঙ্গে অথবা আকশ্মিক বৃষ্টির পানি বিলে জমা হলে তা নিষ্কাষণের ব্যবস্থা করে কৃষকদের রক্ষা করতে হবে।  

বাঁধ অপসারন করতে গিয়ে মৃত কৃষক  নজরুল ইসলামের ভাই ওয়াহাব আলী জানান, ধান রক্ষা করতে গিয়ে তার ভাই মারা গেলেও বিচার পায়নি।আর অবৈধ বাঁধ অপসারণও করা হয়নি।কৃষকদের কথা প্রশাসনও গুরুত্ব দিচ্ছেনা।

তবে লীজ গ্রহিতা অভিযুক্ত নাসিম আলি জানান, বার বার বাঁধ কেটে মাছ নষ্ট করছে।
তিনি উল্টো প্রশ্ন রেখে বলেন, সরকার তাকে বিল লীজ দিয়ে যদি বীলের মাছ চাষ করতে না দেয়,তবে ইজারাদার কি করবে?

এ ব্যাপারে নাচোল উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফোন না ধরলেও গোমস্তাপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার জাকির মুন্সি জানান, তিনি জেলা সদরে জরুরী কাজে যাচ্ছেন।আর সদ্য যোগ দেয়ায় বিষয়টি ভালভাবে খোঁজ নিয়ে পরে জানাবেন। 

 

একুশে সংবাদ/ওজি

Link copied!