রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে সৌহার্দ্য পরিবহনের যাত্রীবাহী বাস পন্টুনে ওঠার সময় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পদ্মা নদীতে পড়ে যায়। বাসে ছিল ৪৫ জন যাত্রী।
জেলার সিভিল সার্জন ডা. এস এম মাসুদ জানিয়েছেন, এখন পর্যন্ত ২ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। মরদেহ দু’টি নারী ও গোয়ালন্দ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রাখা হয়েছে। এছাড়া ১১ জন যাত্রীকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রের খবর, বাসটি কুষ্টিয়ার কুমারখালী থেকে ঢাকা গামী উদ্দেশ্যে ছেড়ে আসে। পন্টুনে উঠার সময় একটি ফেরি এসে ধাক্কা দিলে বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে মুহূর্তের মধ্যে নদীতে তলিয়ে যায়। দুর্ঘটনার সময় নিখোঁজ থাকা যাত্রীদের মধ্যে অনেকেই ঈদের ছুটি শেষে কর্মস্থলে ফিরছিলেন।
উদ্ধার কার্যক্রমে উদ্ধারকারী জাহাজ ‘হামজা’ ও দৌলতদিয়া ও পাটুরিয়ার ডুবুরি দল কাজ করছে। তবে নদীর গভীরতা বেশি হওয়ায় বাসটি শনাক্ত ও উদ্ধারে সমস্যা হচ্ছে।
ঘটনাস্থলে অবস্থান করছেন রাজবাড়ী-২ আসনের এমপি মো. হারুন-অর-রশিদ, জেলা প্রশাসক সুলতানা আক্তার, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মনজুর মোরশেদ এবং জেলা প্রশাসনের অন্যান্য কর্মকর্তা ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা।
উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রয়েছে এবং কর্তৃপক্ষ সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা চালাচ্ছে নদীতে পড়ে যাওয়া যাত্রীদের উদ্ধারে।
একুশে সংবাদ/এ.জে



একুশে সংবাদের সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

