AB Bank
  • ঢাকা
  • রবিবার, ১৪ জুন, ২০২৬,

সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল

Ekushey Sangbad QR Code
BBS Cables
Janata Bank
  1. জাতীয়
  2. রাজনীতি
  3. সারাবাংলা
  4. আন্তর্জাতিক
  5. অর্থ-বাণিজ্য
  6. খেলাধুলা
  7. বিনোদন
  8. শিক্ষা
  9. তথ্য-প্রযুক্তি
  10. অপরাধ
  11. প্রবাস
  12. রাজধানী

বড়াইগ্রামের সাংবাদিক তানিউল করিম জীম ভারতের হাসপাতালে চিকিৎসাধীন



বড়াইগ্রামের সাংবাদিক তানিউল করিম জীম ভারতের হাসপাতালে চিকিৎসাধীন

বড়াইগ্রামের সন্তান সাংবাদিক তানিউল করিম জীম বর্তমানে ভারতের কলকাতার একটি হাসপাতালে জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে আইসিইউতে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। সে উপজেলার জোয়ারী ইউনিয়নের চন্ডিপুর গ্রামের সাবেক ইউপি সদস্য মৃত: রেজাউল করিমের বড় ছেলে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও জীমের সহযাত্রী ভারত পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদ এলাকার এক মুসলিম যুবক জানান, গত ১লা মার্চ তানিউল করিম জীম ভারতের ব্যাঙ্গালুরু থেকে ফেরার পথে ট্রেন থেকে হঠাৎ করেই নিখোঁজ হয়। সঙ্গে তার বোনের শশুর চিন্তিত হয়ে পড়েন এবং অন্য যাত্রী এবং রেল পুলিশকে জানান।

অনেক খোঁজাখুঁজির পর দীর্ঘ ৯ ঘণ্টা পরে ট্রেনের টয়লেট থেকে অচেতন অবস্থায় তাকে উদ্ধার করা হয়। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হয় স্ট্রোক জনিত কারণে তিনি ট্রেনের টয়লেটে অচেতন হয়ে পড়ে ছিলেন। পথে ট্রেনেই তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয় ট্রেনের চিকিৎসক।

পরবর্তীতে কলকাতায় পৌঁছানোর পর প্রথমে তাকে Howrah General Hospital–এ ভর্তি করা হয়। সেখানে সিটি স্ক্যান পরীক্ষায় মাথার পেছনে আঘাতের চিহ্ন ধরা পড়লে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে বেসরকারি Manipal Hospitals–এ স্থানান্তর করা হয়।

বর্তমানে তিনি আইসিইউতে চিকিৎসাধীন রয়েছেন এবং এখনও তার জ্ঞান ফেরেনি। চিকিৎসকদের ভাষ্য অনুযায়ী, জ্ঞান ফেরার পর তার অবস্থার ওপর ভিত্তি করে প্রয়োজনীয় অস্ত্রোপচারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। তবে গত ৭ দিনে জিমের অবস্থা অপরিবর্তিত রয়েছে।

এদিকে বাংলাদেশ ও ভারতের কূটনৈতিক পরিস্থিতির কারণে ভিসা জটিলতায় পরিবারের কেউ তার এই অন্তিম সময়ে পাশে থাকতে পারছেন না। বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক ফোরাম ও তার পরিবারের পক্ষ থেকে ভারতীয় হাইকমিশনে আবেদন করা হলেও জীমের ছোট ভাইয়ের ভিসা এখনো অনুমোদন করা হয়নি।

এ অবস্থায় বড়াইগ্রাম কেন্দ্রীয় প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন লাইফ খবর পেয়ে প্রতিনিয়ত কলকাতার হাসপাতাল থেকে তার সার্বিক খবর নিচ্ছেন এবং তার ভারতীয় বন্ধু কলকাতায় হাসপাতালে থেকে সার্বিক সহযোগিতা করে যাচ্ছেন। একই সঙ্গে ভারতে নিযুক্ত বাংলাদেশ হাই কমিশনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে, কিভাবে জীমকে দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনা যায় সে বিষয়ে।

জানা গেছে, একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিবিড় পরিচর্যায় চিকিৎসা অত্যন্ত ব্যয়বহুল হওয়ায় তাকে দেশে ফিরিয়ে আনার বিষয়টিও গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হচ্ছে।

এদিকে জীমের এক চাচা প্রবাসে থাকলেও মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে তিনিও ভারতে যেতে পারছেন না।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, জীমের বোনের শ্বশুর চিকিৎসা নিতে ভারতের ব্যাঙ্গালুরুতে যান, তার সহযোগি হিসেবে সঙ্গে যায় জীম। সেখান থেকে ফেরার পথেই তিনি এই দুর্ঘটনার শিকার হন।

স্বজনদের আশা, উন্নত চিকিৎসা অব্যাহত থাকলে হয়তো জীম আবার স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে পারেন। তবে ব্যয়বহুল চিকিৎসা চালিয়ে যাওয়ার মতো আর্থিক সক্ষমতা পরিবারের আছে কি না, তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন তার নিকট আত্মীয়-স্বজন।

 

Link copied!