দেশে রমজান এলেই নিত্যপ্রয়োজনীয় ভোগ্যপণ্যের দাম বেড়ে যাওয়া যেন এক অনিবার্য রেওয়াজে পরিণত হয়েছে। এবারও তার ব্যতিক্রম হয়নি। ইতোমধ্যে দেশি-বিদেশি বিভিন্ন ফলের দাম বেড়েছে। সেই সঙ্গে ইফতারি তৈরিতে ব্যবহৃত সবজির দামও ঊর্ধ্বমুখী। সাধারণ ক্রেতাদের অভিযোগ, অদৃশ্য কোনো ইশারায় কয়েক দিন পরপরই বাজার অস্থির হয়ে উঠছে।
পবিত্র রমজানকে সামনে রেখে পাবনার ভাঙ্গুড়া উপজেলার বিভিন্ন বাজারে কলার দামে অস্বাভাবিক ঊর্ধ্বগতি দেখা দিয়েছে। ইফতার ও সেহরিতে ব্যাপক চাহিদাকে কেন্দ্র করে কয়েক দিনের ব্যবধানে প্রতি হালিতে ১০ থেকে ১৫ টাকা পর্যন্ত দাম বেড়েছে।
সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে ভাঙ্গুড়া উপজেলার বিভিন্ন বাজার ঘুরে ক্রেতা ও বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে এ তথ্য জানা গেছে। ক্রেতাদের দাবি, অতিরিক্ত চাহিদার সুযোগ নিয়ে কিছু অসাধু ব্যবসায়ী দাম বাড়াচ্ছেন। কলার এমন মূল্যবৃদ্ধিতে সাধারণ ক্রেতারা উদ্বেগ ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।
রমজানে ইফতারের আগে যে কলার হালি ২৫ থেকে ৩০ টাকায় বিক্রি হয়েছে, ইফতারের পর একই কলা ৪০ টাকায় কিনতে হচ্ছে। মাত্র কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে প্রতি হালিতে ১০ থেকে ১৫ টাকা পর্যন্ত দাম বেড়েছে বলে অভিযোগ। দ্রুত বাড়ানো এ দাম নিয়ন্ত্রণে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ক্রেতারা।
ক্রেতাদের অভিযোগ, পবিত্র রমজান মাসকে ঘিরে মূল্যবৃদ্ধির এই অস্থিরতায় ইফতারির তালিকায় কলা রাখার ইচ্ছা হারিয়ে ফেলছেন অনেকেই। চাহিদা বৃদ্ধির সুযোগ নিয়ে কিছু ব্যবসায়ী দাম বাড়িয়ে দিচ্ছেন। প্রতি পিস কলার দাম বেড়েছে ৩ থেকে ৫ টাকা। অনেক বাজারে কলার হালি ৪০ থেকে ৪৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ফলে ক্রেতারা হিমশিম খাচ্ছেন।
এ বিষয়ে ভাঙ্গুড়া উপজেলার শরৎনগর ও ভাঙ্গুড়া বাজারের একাধিক কলা বিক্রেতা বলেন, তারা বেশি দামে কলা কিনেছেন, তাই কিছুটা বেশি দামে বিক্রি করছেন। তবে ইফতারের আগে ৩০ টাকা থাকলেও নামাজের পর দাম বেড়েছে— এমন অভিযোগ অস্বীকার করে তারা বলেন, দাম আগেই বেড়েছে।
একুশে সংবাদ/এ.জে



একুশে সংবাদের সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

