জামালপুরে প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র ফাঁস, ডিভাইস জালিয়াতি ও বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগে পরীক্ষা বাতিলের দাবিতে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান করা হয়েছে।
বুধবার (১৪ জানুয়ারি) শহরের ফৌজদারি মোড় এলাকায় জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারের কার্যালয়ের সামনে সাধারণ শিক্ষার্থী ও শিক্ষক সমাজের ব্যানারে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
ঘণ্টাব্যাপী মানববন্ধনে নিয়োগ পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী উমর ফারুক, সাইদুর রহমান, ইব্রাহীম খলীল, ওমর আল ফারুক, বুলবুল আহমেদ, সোলাইমান, নাজমুল হাসানসহ আরও অনেকে বক্তব্য রাখেন।
বক্তারা বলেন, গত ৯ জানুয়ারি দেশব্যাপী অনুষ্ঠিত প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় অনেক পরীক্ষার্থী ইলেকট্রনিক ডিভাইস ব্যবহার করে পরীক্ষায় অংশ নিয়েছেন এবং বিভিন্ন স্থানে ডিভাইসসহ পরীক্ষার্থী ধরা পড়েছে। প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর থেকে পরীক্ষাকালীন যেসব নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল, জামালপুরের বিভিন্ন কেন্দ্রে তা মানা হয়নি। ফলে অনেক পরীক্ষার্থী ডিভাইস নিয়ে পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার সুযোগ পেয়েছে।
তারা আরও বলেন, বিভিন্ন কেন্দ্রে ডিভাইস ব্যবহারের বিষয়টি চোখে পড়লে পরীক্ষার্থীরা কেন্দ্র কর্তৃপক্ষকে জানালেও অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। বরং অভিযোগকারীদের কাছ থেকে ভিডিও প্রমাণ দেখতে চাওয়া হয় এবং ডিভাইস জালিয়াতিতে জড়িতদের নিরাপদে কেন্দ্র থেকে বের করে দেওয়া হয়। এতসব অনিয়মের পরও প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক পরীক্ষাকে নিরপেক্ষ বলে মন্তব্য করেছেন, যা হতাশাজনক।
বক্তারা ৯ জানুয়ারির নিয়োগ পরীক্ষা বাতিল, সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে অনিয়মের সঙ্গে জড়িতদের আইনের আওতায় আনা এবং পুনরায় পরীক্ষা গ্রহণের জোর দাবি জানান।
মানববন্ধন শেষে নিয়োগ পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী পরীক্ষার্থীরা জেলা সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মোহাম্মদ হারুন অর রশিদের কাছে মৌখিকভাবে তাদের দাবি উপস্থাপন করেন এবং জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মোহাম্মদ আলী আহসানের কাছে একটি স্মারকলিপি প্রদান করেন।
একুশে সংবাদ/এ.জে



একুশে সংবাদের সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

