তীব্র শীত ও গত তিন দিনের হিমশীতল শৈত্যপ্রবাহে বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে সাধারণ মানুষের জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। ঠাণ্ডাজনিত শ্বাসকষ্ট, জ্বর, কাশি, ডায়রিয়া, আমাশয়, নিউমোনিয়া সহ নানা রোগে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে শিশু ও বৃদ্ধরা।
শনিবার (২৭ ডিসেম্বর) উপজেলার সূর্যের দেখা মিলেছে দুপুর ১২টার পর। পানগুছি নদীতে ফেরি চলাচল বন্ধ থাকায় নদীর দুপাশে তীব্র যানজট সৃষ্টি হয়েছিল। সকাল ১০টার পরে ফেরি চলাচল শুরু হওয়ায় কিছুটা স্বাভাবিকতা ফিরে আসে।
উপজেলার নদী তীরবর্তী গ্রামে শীত থেকে রক্ষা পেতে অনেক মানুষ খড়কুটো ও কাঠ জ্বালিয়ে রাস্তার পাশে বা খোলা স্থানে আগুন পোহাচ্ছেন। বিশেষ করে নিম্নআয়ের মানুষ ও খেটে খাওয়া শ্রমজীবীরা চরম দুর্ভোগে পড়েছেন। তীব্র শীতের কারণে অনেকেই কাজের সন্ধানে ঘর থেকে বের হতে পারছেন না, ফলে তাদের আয়-রোজগার কার্যত বন্ধ হয়ে গেছে।
এ ধরনের পরিস্থিতিতে শীতার্ত মানুষের জন্য দ্রুত ত্রাণ ও জরুরি সহায়তা প্রদানের দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী। তারা বলেন, শীতবস্ত্র ও অন্যান্য সহায়তা না পেলে নিম্নআয়ের মানুষের কষ্ট আরও বাড়বে। প্রচণ্ড শীতে সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েছেন শিশু ও বয়স্করা। শীতজনিত রোগে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যাও বৃদ্ধি পেয়েছে।
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. কামাল হোসেন মুফতি জানান, চর্মরোগ, ডায়রিয়া ও ঠান্ডাজনিত নানা সমস্যায় আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বেড়েছে। হাসপাতালের রোগীদের জন্য পর্যাপ্ত ঔষধ সরবরাহ রয়েছে। তিনি আশ্বস্ত করেছেন যে, রোগীদের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
একুশে সংবাদ/এ.জে



একুশে সংবাদের সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

