AB Bank
  • ঢাকা
  • শুক্রবার, ২৬ জুন, ২০২৬,

সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল

Ekushey Sangbad QR Code
BBS Cables
Janata Bank
  1. জাতীয়
  2. রাজনীতি
  3. সারাবাংলা
  4. আন্তর্জাতিক
  5. অর্থ-বাণিজ্য
  6. খেলাধুলা
  7. বিনোদন
  8. শিক্ষা
  9. তথ্য-প্রযুক্তি
  10. অপরাধ
  11. প্রবাস
  12. রাজধানী

৩ ঘণ্টায় গণনা হলো পাগলা মসজিদের ৮ কোটি ২৩ লাখ


Ekushey Sangbad
জেলা প্রতিনিধি, কিশোরগঞ্জ
০২:০০ পিএম, ২৭ ডিসেম্বর, ২০২৫

৩ ঘণ্টায় গণনা হলো পাগলা মসজিদের ৮ কোটি ২৩ লাখ

কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্সে পাওয়া রেকর্ড ৩৫ বস্তা টাকার মধ্যে মাত্র তিন ঘণ্টায় ৮ কোটি ২৩ লাখ টাকা গণনা করা হয়েছে। গণনার কাজ এখনও চলমান রয়েছে।
শনিবার (২৭ ডিসেম্বর) দুপুর ১২টার দিকে রূপালী ব্যাংক কিশোরগঞ্জ শাখার ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার (ডিজিএম) রফিকুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, সকাল ৭টায় পাগলা মসজিদের দানবাক্সগুলো খোলা হয়। পরে দানকৃত টাকা বস্তায় ভরে মসজিদের দ্বিতীয় তলার মেঝেতে আনা হয় এবং সকাল ৯টা থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে গণনা শুরু হয়। সে হিসাবে তিন ঘণ্টায় ৮ কোটি ২৩ লাখ টাকা গণনা সম্পন্ন হয়েছে।
গণনার কাজে অংশ নিচ্ছেন মসজিদ ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্যরা, মসজিদ কমপ্লেক্সে অবস্থিত মাদরাসা ও এতিমখানার শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা, পার্শ্ববর্তী আল জামিয়াতুল এমদাদিয়া মাদরাসার শিক্ষার্থীরা এবং রূপালী ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। প্রায় পাঁচ শতাধিক মানুষের একটি বিশাল দল এই গণনা কার্যক্রমে যুক্ত রয়েছে।
এবার অন্যান্য বারের তুলনায় দানবাক্স খোলার সময় পেরিয়ে যাওয়ায় ১০টি লোহার দানসিন্দুকের পাশাপাশি অতিরিক্ত ৩টি টিনের দানবাক্স যুক্ত করা হয়। শনিবার সকাল ৭টায় মোট ১৩টি দানসিন্দুক খুলে রেকর্ড ৩৫ বস্তা টাকা পাওয়া যায়। পরে মসজিদ কমপ্লেক্সের দোতলায় এনে গণনা শুরু করা হয়।
দানবাক্স খোলার সময় উপস্থিত ছিলেন কিশোরগঞ্জের জেলা প্রশাসক ও পাগলা মসজিদ পরিচালনা কমিটির সভাপতি মোহাম্মদ আসলাম মোল্লা, পুলিশ সুপার ড. এস এম ফরহাদ হোসেন, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ও দানবাক্স খোলা কমিটির আহ্বায়ক মো. এরশাদুল আহমেদ, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মোহাম্মদ নাহিদ হাসান খানসহ সেনাবাহিনী, র‍্যাব, পুলিশ ও আনসার সদস্যদের বিপুল উপস্থিতি।
এর আগে চলতি বছরের ৩০ আগস্ট পাগলা মসজিদের দানবাক্স খুলে রেকর্ড ১২ কোটি ৯ লাখ ৩৭ হাজার ২২০ টাকা পাওয়া যায়। টাকার পাশাপাশি বিপুল পরিমাণ স্বর্ণালংকার, হীরা ও বৈদেশিক মুদ্রাও পাওয়া গিয়েছিল।
মসজিদের দানবাক্স থেকে প্রাপ্ত অর্থ পাগলা মসজিদসহ জেলার বিভিন্ন মসজিদ, মাদরাসা ও এতিমখানার উন্নয়ন এবং বিভিন্ন সমাজকল্যাণমূলক কাজে ব্যয় করা হয়।
এদিকে পাগলা মসজিদকে আন্তর্জাতিক মানের দৃষ্টিনন্দন ইসলামিক কমপ্লেক্সে রূপান্তরের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ‘পাগলা মসজিদ ইসলামিক কমপ্লেক্স’ নামে এ প্রকল্পে প্রাথমিকভাবে ১১৫ থেকে ১২০ কোটি টাকা ব্যয় ধরা হয়েছে। নির্মাণ শেষ হলে এখানে একসঙ্গে প্রায় ৪০ হাজার মুসল্লি নামাজ আদায় করতে পারবেন।

 

একুশে সংবাদ/ওজি

সর্বোচ্চ পঠিত - সারাবাংলা

Link copied!