উত্তরাঞ্চলে চলতি শীতের শুরুতেই সুন্দরগঞ্জে ছিন্নমুল ও নিম্ন আয়ের মানুষরা তীব্র শীতের কারণে অসহায় হয়ে পড়েছে। বিশেষ করে হরিপুর উপজেলার তিস্তা চরাঞ্চলের ভাসমান পরিবারগুলো দুর্বিষহ জীবনযাপন করছে।
স্থানীয়রা জানাচ্ছেন, ভোটের সময় শীতবস্ত্র দেওয়ার কথা বলা হলেও বর্তমানে এমপি বা উপজেলা চেয়ারম্যানের কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেই। ঠান্ডার কারণে তারা রাতদিন কষ্টে কাটাচ্ছেন, খড় কুঁটো জ্বালিয়ে হাত-পা গরম করতে হচ্ছে।
দহবন্দ ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান রেজাউল ইসলাম বলেন, তাঁর ইউনিয়নে কমপক্ষে ৬ হাজার ছিন্নমুল মানুষ রয়েছে। শীতার্ত মানুষের জন্য বরাদ্দকৃত শীতবস্ত্র যথেষ্ট নয়। তিনি প্রশাসনের কাছে অতিদ্রুত চাহিদা অনুযায়ী শীতবস্ত্র বিতরণের দাবি জানিয়েছেন।
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. মশিয়ার রহমান জানান, চলতি শীতের চারদিনে প্রচণ্ড ঠান্ডা দেখা দিয়েছে। সরকারিভাবে ৯৪১ পিস শীতবস্ত্র কম্বল ও ছয় লাখ টাকা বরাদ্দ এসেছে। তবে শীতার্ত মানুষের চাহিদার তুলনায় তা অত্যন্ত কম।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডাক্তার মো. আতিয়ার রহমান সোহাগ জানান, শীতের কারণে হাপানি, অ্যাজমা, নিমোনিয়া, পেটের সমস্যা, কাশি ও অন্যান্য রোগের সংক্রমণ বৃদ্ধি পেয়েছে। বিশেষ করে শিশু, বৃদ্ধ ও গর্ভবতী মহিলারা বেশি আক্রান্ত হচ্ছেন।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার ঈফফাত জাহান তুলি জানান, মন্ত্রনালয় থেকে ছিন্নমুল ও শীতার্ত মানুষের জন্য ৬ লাখ টাকা বরাদ্দ পাওয়া গেছে। শীতবস্ত্র ক্রয় করে ইউনিয়ন পরিষদের মাধ্যমে বিতরণ করা হবে।
একুশে সংবাদ/এ.জে



একুশে সংবাদের সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

