পানি সম্পদ মন্ত্রনালয়ের প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুক এমপি বলেছেন, গাইবান্ধার ব্রহ্মপুত্রের ভাঙ্গন কবলিত ফুলছড়িবাসির দাবি প্রেক্ষিতে নদী ভাঙ্গন প্রতিরোধে অচিরেই প্রতিরক্ষা বাঁধ নির্মান করা হবে। এতে করে এলাকাটি ভাঙ্গনমুক্ত হওয়ার পাশাপাশি সাধারণ মানুষের জীবনমানেরও উন্নতি ঘটবে। কৃষিক্ষেত্রেও ব্যাপক উন্নয়ন হবে।
তিনি রবিবার দুপুরে ফুলছড়ি উপজেলার এরেন্ডাবাড়ি ইউনিয়নের দুর্গম চরাঞ্চলের জিগা বাড়ি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে এক মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন।
এরেন্ডাবাড়ি ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি একেএম হাবিবুর রহমানের সভাপতিত্বে সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গাইবান্ধা-৫ (ফুলছড়ি-সাঘাটা) আসনের সংসদ সদস্য মাহমুদ হাসান রিপন, কুড়িগ্রাম-৪ আসনের সংসদ সদস্য বিপ্লব হাসান পলাশ, পানি সম্পদ মন্ত্রনালয়ের অতিরিক্ত সচিব ড. আ. ল. ম. বজলুর রশীদ, পুলিশ সুপার কামাল হোসেন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) দেওয়ান মওদুদ আহমেদ, পানি উন্নয়ন বোর্ডের মহাপরিচালক মুহাম্মদ আমিরুল ইসলাম ভুঞা, ফুলছড়ি উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মো. আবু সাঈদ, সদর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আমিনুর জামান রিংকু, সাঘাটা উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান অ্যাড. সামশীল আরেফিন টিটুসহ অন্যরা।
মন্ত্রী জাহিদ ফারুক বলেন, আওয়ামীলীগ সরকারের সময়ে দেশের উন্নয়ন ধারা বেগবান হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সোনার বাংলা গড়ার স্বপ্ন বাস্তবায়ন করছেন। তিনি নদী ভাঙ্গনে সর্বহারা মানুষের দু:খ বোঝেন।
মন্ত্রী আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশেই এই এলাকার হরিচন্ডি, সন্নাসীরচর, আনন্দবাড়ি, পশ্চিম আলগারচর এলাকার সার্বিক উন্নয়ন ও নদী ভাঙ্গন প্রতিরোধ প্রকল্প শুরু করার আগে তিনি সচক্ষে দেখতে এখানে এসেছেন। ফুলছড়ি ছাড়াও পার্শবর্তী সাঘাটায় ইতোমধ্যে ভাঙ্গন প্রতিরোধ কাজ শুরু হয়ছে। এলাকার মানুষকে যাতে আর নদী ভাঙ্গনের কবলে পরতে না হয়, সে জন্য সরকারের সব ধরনের ব্যবস্থা আশ্বাস দেন মন্ত্রী।
এর আগে মন্ত্রী তার সফরসঙ্গীদের নিয়ে হেলিকপ্টারে ওই এলাকায় আসেন এবং নদী ভাঙ্গনে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের দুর্ভোগ পর্যবেক্ষণ করেন। মতবিনিময় শেষে তিনি হেলিকপ্টার যোগে গাইবান্ধা ত্যাগ করেন।
একুশে সংবাদ/বিএইচ



একুশে সংবাদের সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

