ঢাকা মঙ্গলবার, ১৮ জানুয়ারি, ২০২২, ৫ মাঘ ১৪২৮

সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল

Ekushey Sangbad
Janata Bank
Rupalibank

ময়মনসিংহে স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীতে ৫০ কি. হাটবেন বিমল পাল


Ekushey Sangbad
জেলা প্রতিনিধি
০৪:২৯ পিএম, ২৮ নভেম্বর, ২০২১
ময়মনসিংহে স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীতে ৫০ কি. হাটবেন বিমল পাল
ছবি: একুশে সংবাদ

ছবি: একুশে সংবাদ

তাপস কর, ময়মনসসিংহ : বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী ও জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদ্যা
উদযাপন উপলক্ষে ৫০ কিলোমিটার পথ হাটবেন বীর মুক্তিযোদ্ধা বিমল পাল। 


ময়মনসিংহের সর্বমহলে পরিচিত ৭০ বছর বয়সী প্রাণচঞ্চল মানুষ বীর মুক্তিযোদ্ধা বিমল পাল। এবার বিজয়ের মাস ডিসেম্বরে নতুন এক কর্মসূচির ঘোষনা দিয়েছেন। তিনি স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী উপলক্ষে হাটবেন ৫০ কিলোমিটার পথ। ১০ ডিসেম্বর ময়মনসিংহ মুক্ত দিবস উপলক্ষে তার মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি বিজরিত এলাকা ময়মনসিংহের  সীমান্তবর্তী হালুয়াঘাট থেকে ভোর ৬টায় রওয়ানা হয়ে ৫০ কি.মি. সড়ক পথ পায়ে হেটে তিনি পৌছাবেন ময়মনসিংহ নগরীতে। বিমল পাল বলেন, স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী ও বঙ্গবন্ধুর জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে তার এ হাটা কর্মসূচি।


আগামী ১০ ডিসেম্বর ময়মনসিংহ মুক্ত দিবস। ঐদিন এই কর্মসূচি পালন করবেন তিনি।


তিনি আরো জানান, ৫০ কিলোমিটার হাঁটার জন্য ইতিমধ্যে প্রস্তুতি নিচ্ছেন। স্বাভাবিকভাবেই তিনি প্রতিদিন ২ থেকে ৩ ঘণ্টা পর্যন্ত হাঁটেন। এতে দীর্ঘ সময় হাঁটার অভ্যাস রয়েছে। এখন পর্যন্ত তিনি একাই হাটবেন বলে প্রস্তুতি নিয়েছেন। তবে আরও অনেকেই যুক্ত হতে পারেন ঐ দিন।

 

ময়মনসিংহ নগরীর সেচ্ছাসেবক আলী ইউসুফ জানান, স্বাধীনতার ৫০ বছরে বীর মুক্তিযোদ্ধা বিমল পালে এই পদযাত্রা কর্মসূচির ঘোষনা তরুন প্রজন্মকে দেশপ্রেমে আরো উৎসাহিত করবে। বিমল পালের সাথে এই পদযাত্রায় একাত্বতা প্রকাশ করে নগরীর বিভিন্ন সংগঠন তার পাশে থাকতে ইতোমধ্যে উদ্যোগ গ্রহন নিচ্ছে।


উল্লেখ্য, ১৯৭১ সালে ভারতের মেঘালয় সীমান্ত ঘেঁষা ময়মনসিংহের হালুয়াঘাট উপজেলার তেলিখালিতে যুদ্ধে অংশগ্রহন করেছিলেন বীর মুক্তিযোদ্বা বিমল পাল। নগরীর থানার ঘাট এলাকার মনিহারী দোকানী বীর মুক্তিযোদ্ধা বিমল পাল ময়মনসিংহ শহরের কোনো পার্কে, কখনো কোনো স্কুলে ছেলেমেয়েদের মুক্তিযুদ্ধের গল্প বলে বেড়ান। মাঝেমধ্যে বিভিন্ন অনুষ্ঠানেও মুক্তিযুদ্ধের গল্প বলার জন্য তাঁর ডাক পড়ে। নিজের যুদ্ধের কাহিনী নিয়ে ছোট্ট একটি বই বের করেছেন।


এলাকায় তিনি ‘মুক্তিযুদ্ধের গল্পের ফেরিওয়ালা’ বলে পরিচিত। বর্তমানে মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে গবেষণা কাজেও তিনি যুক্ত। এ নগরীর বহু সামাজিক ও মানবিক কাজেও সর্বদা তাকে পাওয়া যায়। করোনা কালেও ছিলেন মৃতদের লাশ সৎকার করা সহ নানা মানবিক স্বেচ্ছাসেবামূলক কাজে।


একুশে সংবাদ/আল-আমিন