পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (পাবিপ্রবি) উপাচার্য নিয়োগ ও নিয়োগ বাণিজ্যের অভিযোগ সংক্রান্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি সংবাদের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
সোমবার (৩০ মার্চ) বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ ও প্রকাশনা দপ্তর থেকে জারি করা এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দৈনিক বাংলাদেশ প্রতিদিন-এর ২৯ মার্চ অনলাইন সংস্করণে প্রকাশিত ‘পাবিপ্রবিতে নিয়োগ বাণিজ্যের অভিযোগে মানববন্ধন, নতুন ভিসি নিয়োগের দাবি’ শিরোনামের সংবাদে উপস্থাপিত অধিকাংশ তথ্যই মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।
বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এস এম আব্দুল আউয়াল প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এসডিজি বিষয়ক মুখ্য সমন্বয়ক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন। তবে সরকার এখনো বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন উপাচার্য নিয়োগ দেয়নি।
প্রশাসনের দাবি, গত ২৯ মার্চ বিশ্ববিদ্যালয়ের কিছু শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারী নিজস্ব বিশ্ববিদ্যালয় থেকে উপাচার্য নিয়োগের দাবিতে মানববন্ধন করেন। সেখানে নিয়োগ বাণিজ্য বা অনিয়ম সংক্রান্ত কোনো অভিযোগ উত্থাপিত হয়নি। অথচ সংশ্লিষ্ট সংবাদে বিষয়টি বিকৃতভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে।
এছাড়া সাবেক উপাচার্য অনুপস্থিত থাকাকালে উপ-উপাচার্য নিয়োগ প্রক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ করেছেন—এমন দাবিকেও সম্পূর্ণ মিথ্যা বলে উল্লেখ করা হয়। প্রশাসনের ভাষ্য অনুযায়ী, বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল নিয়োগ ও পদোন্নতি প্রক্রিয়া নির্ধারিত আইন, বিধি এবং রিজেন্ট বোর্ডের মাধ্যমে পরিচালিত হয়। এককভাবে কোনো ব্যক্তির পক্ষে এসব সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুযোগ নেই।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, সংবাদে উল্লেখিত নিয়োগ বোর্ডটি প্রশাসনিক ভবনে প্রকাশ্যে, সকল সদস্যের উপস্থিতিতে উপাচার্যের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। শামসাদ ফখরুলকে বঞ্চিত করার অভিযোগ প্রসঙ্গে বলা হয়, যোগ্যতার শর্ত পূরণ না হওয়ায় তিনি আবেদনই করেননি।
বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের মতে, প্রতিষ্ঠানের সুষ্ঠু পরিবেশকে প্রশ্নবিদ্ধ করা ও বিভ্রান্তি ছড়ানোর উদ্দেশ্যে এ ধরনের সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে। এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে প্রশাসন।
একুশে সংবাদ/এ.জে



একুশে সংবাদের সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

