অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ম্যাচে ভয়াবহ ব্যাটিং বিপর্যয়ের মুখে পড়ে বাংলাদেশ। এক পর্যায়ে মাত্র ৩৬ রানে ৫ উইকেট হারিয়ে সর্বনিম্ন সংগ্রহের শঙ্কায় পড়েছিল স্বাগতিকরা। তবে অধিনায়ক তাওহীদ হৃদয়ের দায়িত্বশীল অর্ধশতকে সেই লজ্জা এড়াতে সক্ষম হয় টাইগাররা। নির্ধারিত ২০ ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে বাংলাদেশ সংগ্রহ করেছে ১০৯ রান।
রোববার চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে টসে জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয় বাংলাদেশ। কিন্তু শুরু থেকেই অস্ট্রেলিয়ার বোলিং আক্রমণের সামনে অসহায় আত্মসমর্পণ করেন টাইগার ব্যাটাররা।
ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারেই দুই উইকেট হারায় বাংলাদেশ। রানআউটের শিকার হন তানজিদ হাসান তামিম। একই ওভারে সাইফ হাসানও সাজঘরে ফেরেন মাত্র ১ রান করে। এরপর পারভেজ হোসেন ইমন ১৩ বলে মাত্র ১ রান করে আউট হলে চাপে পড়ে দল।
পাওয়ার প্লে শেষে বাংলাদেশের সংগ্রহ ছিল মাত্র ১১ রান। রান তোলার চেয়ে উইকেট বাঁচানোই যেন ছিল বড় চ্যালেঞ্জ। নুরুল হাসান সোহান ৬ রান এবং শামীম হোসেন ৩ রান করে আউট হলে ৩৬ রানেই ৫ উইকেট হারায় স্বাগতিকরা।
এরপর অধিনায়ক তাওহীদ হৃদয় কিছুটা প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। রিশাদ হোসেনকে নিয়ে ষষ্ঠ উইকেটে গুরুত্বপূর্ণ জুটি গড়েন তিনি। রিশাদ ১৪ বলে ১৬ রান করে বিদায় নিলেও হৃদয় একপ্রান্ত আগলে রেখে দলের রান তিন অঙ্কে নিয়ে যান।
দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৬১ রান করেন হৃদয়। তার ইনিংসেই বড় ধরনের বিপর্যয় থেকে রক্ষা পায় বাংলাদেশ। অন্য কোনো ব্যাটার উল্লেখযোগ্য অবদান রাখতে পারেননি।
অস্ট্রেলিয়ার হয়ে বোলাররা শুরু থেকেই নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখেন। নিয়মিত বিরতিতে উইকেট তুলে নিয়ে বাংলাদেশের ব্যাটিং লাইনআপকে চাপে রাখেন তারা।
সিরিজে হোয়াইটওয়াশ এড়াতে বাংলাদেশকে এখন বোলিংয়ে অসাধারণ কিছু করতে হবে। জয়ের জন্য অস্ট্রেলিয়ার লক্ষ্য ১১০ রান।
একুশে সংবাদ/এ.জে



একুশে সংবাদের সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

