বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) ফাইনালে ব্যাট হাতে আলো ছড়ালেন রাজশাহী রয়্যালসের ওপেনার তানজিদ হাসান তামিম। তার দৃষ্টিনন্দন সেঞ্চুরির ওপর ভর করেই শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচে চট্টগ্রাম রয়্যালসের সামনে চ্যালেঞ্জিং লক্ষ্য দাঁড় করিয়েছে রাজশাহী।
মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস জিতে চট্টগ্রামের অধিনায়ক শেখ মেহেদী হাসান রাজশাহীকে আগে ব্যাটিংয়ের আমন্ত্রণ জানান। নির্ধারিত ২০ ওভারে ৪ উইকেট হারিয়ে ১৭৪ রান সংগ্রহ করে রাজশাহী। ফলে শিরোপা জিততে হলে চট্টগ্রামকে করতে হবে ১৭৫ রান।
ইনিংসের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ছিলেন তানজিদ। সতীর্থ সাহিবজাদা ফারহানের সঙ্গে ওপেনিং জুটিতে আসে ৮৩ রান। ফারহান ৩০ বলে ৩০ রান করে বিদায় নেন। এরপর দ্বিতীয় উইকেটে নিউজিল্যান্ডের কেন উইলিয়ামসনকে সঙ্গে নিয়ে আরও ৪৭ রানের কার্যকর জুটি গড়েন তানজিদ। উইলিয়ামসন ১৫ বলে ২৪ রান করে শরিফুল ইসলামের বলে আউট হন।
এরপর পুরো ইনিংসজুড়েই দাপট দেখান তানজিদ হাসান তামিম। অর্ধশতক পূরণের পর অনায়াসেই তিন অঙ্ক স্পর্শ করেন তিনি। এবারের বিপিএলে এটি তার চতুর্থ সেঞ্চুরি। একই সঙ্গে বিপিএল ইতিহাসে প্রথম বাংলাদেশি ব্যাটার হিসেবে তিনটি শতকের রেকর্ড গড়লেন এই বাঁহাতি ওপেনার। ফাইনালে সেঞ্চুরি করা তৃতীয় ব্যাটার হিসেবেও নাম লেখালেন তানজিদ—এর আগে এই কীর্তি ছিল কেবল ক্রিস গেইল ও তামিম ইকবালের।
শেষ পর্যন্ত ৬২ বল মোকাবিলা করে ১০০ রান করে থামেন তানজিদ। তার ইনিংসটি সাজানো ছিল ছয়টি চার ও সাতটি ছক্কায়। অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত ১১ রান করেন এবং জিমি নিশাম ৭ রানে অপরাজিত থাকেন।
চট্টগ্রাম রয়্যালসের বোলিংয়ে সবচেয়ে সফল ছিলেন শরিফুল ইসলাম ও মুকিদুল ইসলাম। দুজনেই দুটি করে উইকেট শিকার করেন।
এখন শিরোপা নির্ধারণে সব নজর চট্টগ্রামের ব্যাটিংয়ের দিকে—লক্ষ্য তাড়া করতে তারা কতটা সফল হয়, সেটাই দেখার অপেক্ষা।
একুশে সংবাদ/এ.জে



একুশে সংবাদের সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

