দীর্ঘ ছয় ম্যাচের হার কাটিয়ে বিপিএলে প্রথম জয়ের স্বাদ পেয়েছিল নোয়াখালী এক্সপ্রেস। সেই জয়ের ধারাবাহিকতা বজায় রেখে নিজেদের অষ্টম ম্যাচে ঢাকা ক্যাপিটালসকে পরাজিত করে ব্যাক টু ব্যাক জয় তুলে নিয়েছে দলটি।
রোববার (১১ জানুয়ারি) রাতে আগে ব্যাট করে নোয়াখালী এক্সপ্রেস ৭ উইকেট হারিয়ে তোলে ১৮৪ রান। জবাবে খেলতে নেমে ঢাকা ক্যাপিটালস গুটিয়ে যায় ১৪৩ রানে। ফলে ৪১ রানের ব্যবধানে জয় পায় নোয়াখালী।
লক্ষ্য তাড়ায় শুরু থেকেই ধুঁকতে থাকে ঢাকা। ওপেনার রহমানউল্লাহ গুরবাজ ১০ বলে ১১ রান করে ক্যাচ তুলে দেন। দ্রুত বিদায় নেন আব্দুল্লাহ আল মামুনও, তার ব্যাট থেকে আসে মাত্র ২ রান। একই ওভারে শূন্য রানে ফেরেন সাইফ হাসান। ইহসানউল্লাহর দুর্দান্ত স্পেলে তিন উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় ঢাকা।
পরের ওভারে নাসির হোসেনও রানের খাতা খুলতে না পেরে সাজঘরে ফেরেন। মাত্র ১৯ রানে চার উইকেট হারিয়ে কার্যত ম্যাচ থেকে ছিটকে পড়ে ঢাকা ক্যাপিটালস।
মাঝখানে শামীম হোসেন পাটোয়ারি আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ে দলকে ফেরানোর চেষ্টা করেন। মোহাম্মদ মিঠুনের সঙ্গে ৫৩ রানের জুটি গড়লেও ১৬ বলে ২৯ রান করে আউট হন তিনি। এরপর অধিনায়ক মিঠুন ৩১ বলে ৩৩ রান করে বিদায় নেন। শেষদিকে সাইফউদ্দিনের ২০ বলে ৩৪ রানের ক্যামিও ইনিংস কেবল ব্যবধান কমাতে সাহায্য করে। শেষ পর্যন্ত ১৪৩ রানে অলআউট হয় ঢাকা।
এর আগে টস জিতে ব্যাট করতে নেমে দুর্দান্ত শুরু পায় নোয়াখালী। হাসান ইসাখিল ও সৌম্য সরকার পাওয়ারপ্লেতেই তোলেন ৬৪ রান। উদ্বোধনী জুটিতে আসে ১০১ রান। ২৫ বলে ৪৮ রানের ঝলমলে ইনিংস খেলে সৌম্য আউট হন।
এরপর দ্রুত উইকেট হারালেও ইনিংসের গতি ধরে রাখেন ইসাখিল। বাবা মোহাম্মদ নবীর সঙ্গে তার ৩০ বলে ৫৩ রানের জুটি নোয়াখালীকে বড় সংগ্রহের পথে এগিয়ে নেয়। নবী ১৩ বলে ১৭ রান করে বিদায় নিলেও ইসাখিল এগিয়ে যান সেঞ্চুরির পথে।
তবে শতক ছোঁয়ার আগেই থামতে হয় তাকে। ৬০ বলে ৯২ রানের অনবদ্য ইনিংস খেলেন তিনি, যেখানে ছিল সাতটি চার ও পাঁচটি ছক্কা। শেষদিকে আর বড় রান যোগ না হলেও নির্ধারিত ২০ ওভারে ১৮৪ রানের লড়াকু পুঁজি দাঁড় করায় নোয়াখালী।
ঢাকার হয়ে বল হাতে দুটি করে উইকেট নেন মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন, তাইজুল ইসলাম ও আব্দুল্লাহ আল মামুন।
একুশে সংবাদ/এ.জে



একুশে সংবাদের সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

