বিশ্বকাপের ‘এল’ গ্রুপে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে পানামাকে ১-০ গোলে পরাজিত করে নকআউট পর্বে ওঠার সম্ভাবনা ধরে রেখেছে ক্রোয়েশিয়া। টরন্টোতে অনুষ্ঠিত ম্যাচে কঠিন লড়াইয়ের পর একমাত্র গোলের ব্যবধানে জয় তুলে নেয় ইউরোপের দলটি।
ম্যাচের শুরুতে পানামা সমানতালে লড়াই করলেও সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বলের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের দখলে নেয় ক্রোয়েশিয়া। প্রথমার্ধে কোনো দলই গোলের দেখা না পেলেও দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণ হয়ে যায়।
প্রথমার্ধে গোলের সবচেয়ে কাছাকাছি গিয়েছিল পানামাই। ১৮তম মিনিটে হোসে ফাহার্দোর হেড দুর্দান্ত দক্ষতায় প্রতিহত করেন ক্রোয়েশিয়ার গোলরক্ষক ডোমিনিক লিভাকোভিচ। পরে বলটি গোলবারে লেগে ফিরে আসায় রক্ষা পায় ক্রোয়েশিয়া।
বিরতির পর আক্রমণে গতি আনতে দুটি পরিবর্তন করেন ক্রোয়েশিয়ার কোচ। সেই সিদ্ধান্ত দ্রুতই ফল দেয়। ম্যাচের ৫৪তম মিনিটে মার্কো পাশালিচের ক্রস থেকে বদলি খেলোয়াড় আন্তে বুদিমির গোল করে দলকে এগিয়ে দেন।
গোলের পর আরও কয়েকটি সুযোগ তৈরি করেছিল ক্রোয়েশিয়া। বিশেষ করে পাশালিচ একটি সুবর্ণ সুযোগ নষ্ট করেন, যখন গোলরক্ষকের মুখোমুখি হয়েও বল জালে পাঠাতে ব্যর্থ হন।
পিছিয়ে পড়ার পর ম্যাচে ফেরার জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে পানামা। একাধিক আক্রমণে ক্রোয়েশিয়ার রক্ষণভাগকে চাপে ফেললেও প্রতিবারই বাধা হয়ে দাঁড়ান গোলরক্ষক লিভাকোভিচ। ৬৫তম মিনিটের পরপরই তার কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সেভ পানামার সমতা ফেরানোর আশা নষ্ট করে দেয়।
ম্যাচের শেষ দিকে পানামা সর্বশক্তি দিয়ে আক্রমণ চালালেও গোল আদায় করতে পারেনি। ফলে ১-০ গোলের মূল্যবান জয় নিয়েই মাঠ ছাড়ে ক্রোয়েশিয়া।
এই জয়ের ফলে দুই ম্যাচ শেষে ক্রোয়েশিয়ার সংগ্রহ তিন পয়েন্ট। সমানসংখ্যক ম্যাচে চার পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপের শীর্ষ দুই স্থানে রয়েছে ইংল্যান্ড ও ঘানা। অন্যদিকে টানা দুই পরাজয়ে পানামার নকআউট পর্বের স্বপ্ন শেষ হয়ে গেছে।
এখন গ্রুপপর্বের শেষ ম্যাচে ঘানার বিপক্ষে জয় পেলে সরাসরি নকআউট পর্বে ওঠার সুযোগ থাকবে ক্রোয়েশিয়ার। আর ড্র বা হার হলে অন্য গ্রুপের ফলাফলের ওপর নির্ভর করতে হবে তাদের।
একুশে সংবাদ/এ.জে



একুশে সংবাদের সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

