দির্ঘ দিনের আঞ্চলিক উত্তেজনার পর কুয়েতের আকাশ সিমা সাময়িক খুলে দেয়ার পর মে ও জুন মাসের বেশ কিছু কুয়েত এয়ারওয়েজের বুকিং আকস্মিকভাবে বাতিল হওয়ায় চরম ক্ষোভ ও ভোগান্তি প্রকাশ করেছেন সাধারণ যাত্রীরা।
আল-কাবাস-এর এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, কোনো আগাম সতর্কতা ছাড়াই এই ফ্লাইটগুলো বাতিল করায় যাত্রীদের ওপর অতিরিক্ত আর্থিক চাপ সৃষ্টি হয়েছে। অনেক যাত্রী জানিয়েছেন, শেষ মুহূর্তে গন্তব্যে পৌঁছাতে তাদের আগের চেয়ে কয়েক গুণ বেশি দামে নতুন টিকিট কিনতে হয়েছে, আঞ্চলিক উত্তেজনার পরবর্তী সময়ে এই অঞ্চলে বিমান ভাড়া বেশ কিছুটা ঊর্ধ্বমুখী হয়।
আর্থিক ক্ষতির পাশাপাশি যাত্রীরা বড় ধরনের লজিস্টিক সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন। বাতিল হওয়া ফ্লাইটের কারণে অনেকের অ-ফেরতযোগ্য হোটেল বুকিংয়ের টাকা নষ্ট হয়েছে এবং অনেকে তাদের থাকার পরিকল্পনা পরিবর্তনের ক্ষেত্রে বিড়ম্বনায় পড়েছেন। এ ছাড়া কানেক্টিং ফ্লাইট এবং পূর্বনির্ধারিত অ্যাপয়েন্টমেন্ট পুনর্নির্ধারণ করতে গিয়েও বাড়তি অর্থ গুনতে হচ্ছে অনেককে।
ব্যস্ত এই ভ্রমণ মৌসুমে সিট পাওয়া দুষ্কর হয়ে পড়ায় অনেক প্রবাসী বাধ্য হয়ে দীর্ঘ পথ এবং চড়া মূল্যের টিকিট কিনতে বাধ্য হচ্ছেন।
যাত্রীদের অন্যতম বড় অভিযোগ হলো এয়ারলাইন্সের দুর্বল যোগাযোগ ব্যবস্থা এবং রিফান্ড পেতে দীর্ঘসূত্রতা।
কুয়েতের আকাশসীমা সাময়িক বন্ধ থাকার কারণে যেসব ফ্লাইট বাতিল হয়েছিল, এক মাস পেরিয়ে গেলেও অনেক যাত্রী এখনও তাদের পূর্ণ রিফান্ড পাননি বলে দাবি করেছেন। এ ছাড়া কুয়েত এয়ারওয়েজের হেল্পলাইনে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করেও কোনো সমাধান না পাওয়ার অভিযোগ তুলেছেন অনেকে।
উদ্ভূত পরিস্থিতিতে যাত্রীরা এয়ারলাইন কর্তৃপক্ষকে যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নত করার পাশাপাশি ক্ষতিপূরণ ও রিফান্ডের ক্ষেত্রে আরও নমনীয় হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।বিশ্লেষকদের মতে, আঞ্চলিক পরিস্থিতির কারণে হঠাৎ ফ্লাইটের সময়সূচী পরিবর্তনের ফলে যাত্রীদের হোটেল ও যাতায়াত পরিকল্পনাও মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।এ নিয়ে দেশে ফিরা নিয়ে মারাত্মকভাবে অনিশ্চয়তায় পড়তে হচ্ছে প্রবাসীদের।
একুশে সংবাদ/ওজি



একুশে সংবাদের সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

