কুয়েতের আমির শেখ মিশাল আল-আহমদ আল-জাবের আল-সাবাহ-এর নির্দেশে দেশটির বিভিন্ন কারাগারে সাজা ভোগরত ৫৩৯ জন বন্দির সাজা মওকুফ ও হ্রাস করা হয়েছে। ২০২৬ সালের ২১ নম্বর আমিরি ডিক্রি অনুযায়ী এ পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে।
প্রতিবেদনে জানানো হয়, মানবিক দিক বিবেচনা করে এবং অপরাধীদের স্বাভাবিক জীবনে ফেরার সুযোগ করে দিতেই এই সাধারণ ক্ষমা ঘোষণা করা হয়েছে। কুয়েতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে নিশ্চিত করেছে যে, আমিরি ক্ষমার মানদণ্ড পূরণকারী মোট ৫৩৯ জন বন্দির মধ্যে কয়েকজনকে অবিলম্বে মুক্তি দেওয়া হচ্ছে এবং বাকিদের কারাদণ্ডের মেয়াদ নির্দিষ্ট পরিমাণে হ্রাস করা হয়েছে।
মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য শুধু বন্দিদের কারাগার থেকে মুক্তি দেওয়া নয়; বরং তাদের পুনর্বাসন এবং সমাজে পুনরায় অন্তর্ভুক্ত হওয়ার পথ সুগম করা। যাতে তারা পরিবারের কাছে ফিরে নতুন করে জীবন শুরু করতে পারেন এবং দেশের আইন মেনে ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারেন।
পুরো প্রক্রিয়াটি কুয়েতের বিশেষ নিরাপত্তাবিষয়ক ও সংশোধনাগার খাতের তত্ত্বাবধানে সম্পন্ন হয়েছে। মন্ত্রণালয় আরও জানিয়েছে, আমিরি দেওয়ান, পাবলিক প্রসিকিউশন এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সমন্বয়ের ফলে দ্রুততার সঙ্গে প্রশাসনিক ও আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা সম্ভব হয়েছে। যাদের অবিলম্বে মুক্তির আদেশ দেওয়া হয়েছে, তাদের বিলম্ব ছাড়াই মুক্তি দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, কুয়েতের জাতীয় দিবস ও গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় উৎসবগুলো উপলক্ষে প্রতিবছরই দেশটির আমির বিশেষ ক্ষমতার আওতায় বন্দিদের এ ধরনের সাধারণ ক্ষমা প্রদান করে থাকেন। এটি কুয়েত রাষ্ট্রের মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি ও সামাজিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখার অংশ হিসেবে বিবেচিত হয়।
একুশে সংবাদ/এ.জে



একুশে সংবাদের সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

