যথাযোগ্য মর্যাদা ও উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে কুয়েতে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসে অমর একুশে মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ২০২৬ উদযাপন করা হয়েছে।
এ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে কুয়েতে প্রবাসী বাংলাদেশি বিভিন্ন পেশাজীবী, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের সদস্য, প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় কর্মরত সাংবাদিক এবং দূতাবাসের সকল পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।
কুয়েতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মেজর জেনারেল সৈয়দ তারেক হোসেনের উপস্থিতিতে আনুষ্ঠানিকভাবে জাতীয় পতাকা উত্তোলন ও অর্ধনমিতকরণের মধ্য দিয়ে দিবসের কর্মসূচি শুরু হয়। এরপর রাষ্ট্রদূতের নেতৃত্বে দূতাবাস প্রাঙ্গণে স্থাপিত অস্থায়ী শহীদ মিনারে একে একে দূতাবাসের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও প্রবাসী বাংলাদেশিরা পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এ সময় ভাষা শহীদদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।
রাষ্ট্রদূত মেজর জেনারেল সৈয়দ তারেক হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় দিবসটি উপলক্ষে মহামান্য রাষ্ট্রপতি, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর বাণী পাঠ করা হয়। এছাড়া আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে ইউনেস্কোর সাধারণ পরিষদের বর্তমান সভাপতির প্রদত্ত ভিডিও বার্তা প্রদর্শন করা হয়।
আলোচনা সভায় মূল বক্তব্যে রাষ্ট্রদূত ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনে শহীদদের আত্মত্যাগ গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন এবং মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের গুরুত্ব ও তাৎপর্য তুলে ধরেন। তিনি প্রবাসে বেড়ে ওঠা নতুন প্রজন্মের মধ্যে বাংলা ভাষা, সাহিত্য ও সংস্কৃতির প্রতি অনুরাগ সঞ্চারিত করতে প্রবাসী সমাজের দায়িত্বের কথাও উল্লেখ করেন।
শেষে বায়ান্নর সকল ভাষা শহীদের আত্মার মাগফিরাত এবং বাংলাদেশ সরকার ও দেশের আপামর জনগণের সর্বাঙ্গীন সুখ-সমৃদ্ধি কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাতের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।
একুশে সংবাদ/এ.জে



একুশে সংবাদের সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

