বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্বদেশ প্রত্যাবর্তনকে ঘিরে রাজধানীর পূর্বাচলের ৩০০ ফিট এলাকায় এখন উৎসবের আমেজ।
বুধবার (২৪ ডিসেম্বর) রাতেই পুরো এলাকা পরিণত হয়েছে এক বিশাল জনসমুদ্রে।
৩০০ ফিট হাইওয়ে এলাকা ঘুরে দেখা যায়, কুড়িল বিশ্বরোড থেকে শুরু করে সংবর্ধনা মঞ্চ পর্যন্ত পুরো সড়ক নেতাকর্মীদের পদচারণায় মুখর। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা হাজার হাজার নেতাকর্মী রাতেই সমাবেশস্থলে অবস্থান নিয়েছেন। অনেককেই দেখা গেছে খোলা আকাশের নিচে রাত কাটানোর প্রস্তুতি নিতে। তাদের মতে, নেতার ফেরার এই রাতটি তাদের কাছে ‘চাঁদরাতের’ মতো আনন্দের।
এলাকাভিত্তিক ছোট ছোট জটলা করে কোথাও একসঙ্গে, কোথাও বিক্ষিপ্তভাবে স্লোগান দিচ্ছেন নেতাকর্মীরা। পুরো এলাকাজুড়ে উৎসবমুখর পরিবেশ। সবার মুখে মুখে একটি স্লোগানই বেশি শোনা যাচ্ছে—‘লিডার আসছেন’। স্লোগান, প্ল্যাকার্ড আর উচ্ছ্বাসে পুরো সমাবেশস্থল যেন এক উৎসব কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে।
নেতাকর্মীদের খাবার ও পানির চাহিদা মেটাতে পথে পথে বিভিন্ন ধরনের খাবার ও পানি বিক্রি করছেন হকাররা। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা নেতাকর্মীদের মিলনমেলায় রূপ নিয়েছে ৩০০ ফিট এলাকা। কিছুদূর পরপর দেখা গেছে স্পিকার লাগানো ট্রাক ও বাস। গানের তালে তালে কর্মীরা আরও উজ্জীবিত হয়ে উঠছেন।
রাত ৯টার দিকে সংবর্ধনা মঞ্চ এলাকা পরিদর্শনে যান বাংলাদেশ পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) ড. বাহারুল আলম। তার সঙ্গে ছিল পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের একটি বহর। পুরো এলাকা জুড়ে বিপুলসংখ্যক পুলিশ সদস্য মোতায়েন করে নিরাপত্তার চাদরে ঢেকে রাখা হয়েছে।
রংপুর থেকে আসা বিএনপির কর্মী রাজু আহমেদ বলেন, ‘বহু বছর পর আমাদের নেতা দেশে ফিরছেন। এটা আমাদের কাছে উৎসবের দিন। সব কষ্ট ভুলে আমরা এখানে এসেছি উদযাপন করতে। নেতা আসার মধ্য দিয়ে আমাদের অপেক্ষার প্রহর শেষ হচ্ছে।’
বগুড়া থেকে আসা বিএনপির কর্মী ফয়সাল বলেন, ‘ আজ যে উৎসবের দিন। সব কষ্ট ভুলে আমরা এখানে এসেছি উদযাপন করতে। নেতা আসার মধ্য দিয়ে আমাদের অপেক্ষার প্রহর শেষ হচ্ছে।’
শরীয়তপুর থেকে আসা নাইম বলেন, আমরা আমাদের গ্রামে গত ১৭ বছর ধরে যে নির্যাতন সহ্য করেছি। নেতাকে একনজর দেখতে পেলে সব কষ্ট দূর হয়ে যাবে।
একুশে সংবাদ/ওজি



একুশে সংবাদের সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

