AB Bank
  • ঢাকা
  • রবিবার, ১৪ জুন, ২০২৬,

সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল

Ekushey Sangbad QR Code
BBS Cables
Janata Bank
  1. জাতীয়
  2. রাজনীতি
  3. সারাবাংলা
  4. আন্তর্জাতিক
  5. অর্থ-বাণিজ্য
  6. খেলাধুলা
  7. বিনোদন
  8. শিক্ষা
  9. তথ্য-প্রযুক্তি
  10. অপরাধ
  11. প্রবাস
  12. রাজধানী
পশ্চিমবঙ্গের মানবাধিকার সংগঠন

বন্দুকের মুখে নারী-শিশুদের বাংলাদেশে পুশ-ইনের অভিযোগ


Ekushey Sangbad
একুশে সংবাদ ডেস্ক
০৯:৩৪ পিএম, ৭ জুন, ২০২৬

বন্দুকের মুখে নারী-শিশুদের বাংলাদেশে  পুশ-ইনের অভিযোগ

বাংলাদেশ সীমান্তে নারী ও শিশুসহ বহু মানুষকে অস্ত্রের মুখে জোরপূর্বক বাংলাদেশে ঠেলে দেওয়ার অভিযোগ করেছে ভারতের পশ্চিমবঙ্গভিত্তিক মানবাধিকার সংগঠন অ্যাসোসিয়েশন ফর প্রোটেকশন অব ডেমোক্র্যাটিক রাইটস (এপিডিআর)।

সংগঠনটির দাবি, বাংলাদেশি সন্দেহে আটক ব্যক্তিদের সীমান্তের নো-ম্যানস ল্যান্ডে ফেলে রাখা হচ্ছে। বাংলাদেশে প্রবেশের সুযোগ না পাওয়ায় তাদের অনেকেই খাবার ও বিশুদ্ধ পানির অভাবে মানবেতর জীবনযাপন করছেন।

এ পরিস্থিতিকে ‘মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ’ হিসেবে উল্লেখ করে ভারতের ‘ডিটেক্ট, ডিলিট অ্যান্ড ডিপোর্ট’ নীতি বাতিলের দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি।

রোববার (৯ জুন) এক বিবৃতিতে এপিডিআরের সহ-সভাপতি রঞ্জিত শূর বলেন, বাংলাদেশি সন্দেহে আটক বহু মানুষকে, বিশেষ করে নারী ও শিশুদের, বিভিন্ন সীমান্ত এলাকায় নিয়ে গিয়ে জোরপূর্বক বাংলাদেশে পাঠানোর চেষ্টা করছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)।

বিবৃতিতে বলা হয়, এসব ব্যক্তিকে সীমান্তের কাছে নিয়ে গিয়ে বন্দুকের ভয় দেখিয়ে বাংলাদেশের দিকে ঠেলে দেয়া হচ্ছে। তবে বাংলাদেশ বর্ডার গার্ড (বিজিবি) বিষয়টি জানতে পেরে তাদের বাংলাদেশে প্রবেশ করতে দিচ্ছে না। ফলে অনেকেই সীমান্তের নো ম্যানস ল্যান্ড বা জিরো লাইনে আটকে পড়ছেন।

এপিডিআরের দাবি, এসব মানুষের মধ্যে গর্ভবতী নারী ও শিশুও রয়েছে। তারা দিনের পর দিন খাবার ও পানি ছাড়া খোলা আকাশের নিচে মানবেতর জীবনযাপন করতে বাধ্য হচ্ছেন। রোদ, বৃষ্টি ও প্রতিকূল আবহাওয়ার মধ্যেই তাদের অবস্থান করতে হচ্ছে।

সংগঠনটির অভিযোগ, নো ম্যানস ল্যান্ডে পাঠানোর পর বিএসএফ তাদের দায়িত্ব নিতে অস্বীকৃতি জানাচ্ছে। বিএসএফের দাবি, তারা বাংলাদেশি নাগরিক হওয়ায় তাদের দায়িত্ব ভারতের নয়। অন্যদিকে বিজিবির মতে, তারা বাংলাদেশি— এমন কোনও প্রমাণ নেই; বরং তারা ভারতীয় নাগরিক হতে পারেন। ফলে দুই দেশের অবস্থানের কারণে এসব মানুষ চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়েছেন বলে দাবি করেছে এপিডিআর।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ভারত ও বাংলাদেশের সরকার মিলেই মানবতার বিরুদ্ধে গুরুতর অপরাধ সংঘটিত করছে। এপিডিআরের মতে, ভারতের ‘ডিটেক্ট, ডিলিট অ্যান্ড ডিপোর্ট’ (থ্রি-ডি) নীতি অসাংবিধানিক ও বেআইনি।

সংগঠনটির দাবি, এই নীতি ভারতের সংবিধানের ১৪ ও ২১ নম্বর ধারার পরিপন্থি এবং বর্তমান সংকটের মূল উৎস।

সংগঠনটি অবিলম্বে ভারতের থ্রি-ডি নীতি বাতিল, নো ম্যানস ল্যান্ডে অবস্থানরত সব মানুষকে ফিরিয়ে নেয়া এবং ‘পুশব্যাক’ নীতি বন্ধ করার দাবি জানিয়েছে। পাশাপাশি এ বিষয়ে জাতিসংঘ মানবাধিকার কাউন্সিলের (ইউএনএইচআরসি) দৃষ্টি আকর্ষণ করে তাদের হস্তক্ষেপও কামনা করেছে এপিডিআর।

 

একুশে সংবাদ/ওজি

Link copied!