AB Bank
  • ঢাকা
  • মঙ্গলবার, ০৯ জুন, ২০২৬,

সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল

Ekushey Sangbad QR Code
BBS Cables
Janata Bank
  1. জাতীয়
  2. রাজনীতি
  3. সারাবাংলা
  4. আন্তর্জাতিক
  5. অর্থ-বাণিজ্য
  6. খেলাধুলা
  7. বিনোদন
  8. শিক্ষা
  9. তথ্য-প্রযুক্তি
  10. অপরাধ
  11. প্রবাস
  12. রাজধানী

উৎসবের আমেজে শেষ হলো বৈশাখী শোভাযাত্রা


Ekushey Sangbad
নিজস্ব প্রতিবেদক
১১:২৯ এএম, ১৪ এপ্রিল, ২০২৬

উৎসবের আমেজে শেষ হলো বৈশাখী শোভাযাত্রা

উৎসবমুখর ও বর্ণাঢ্য পরিবেশে শান্তিপূর্ণভাবে শেষ হয়েছে ১৪৩৩ বঙ্গাব্দের বৈশাখী শোভাযাত্রা। মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) সকাল ৯টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদ প্রাঙ্গণে জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মাধ্যমে শোভাযাত্রার আনুষ্ঠানিক সূচনা হয়।

শোভাযাত্রাটি চারুকলা অনুষদ থেকে শুরু হয়ে শাহবাগ, দোয়েল চত্বর ও বেগম রোকেয়া হল এলাকা প্রদক্ষিণ করে পুনরায় চারুকলায় এসে শেষ হয়। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম, উপ-উপাচার্য সায়মা হক বিদিশা ও ড. আব্দুস সালাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ছিদ্দিকুর রহমান খান, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য লুৎফর রহমানসহ শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কূটনৈতিক প্রতিনিধি এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন।

ইউনেস্কো স্বীকৃত এই ঐতিহ্যবাহী আয়োজনে অংশ নিতে সকাল থেকেই চারুকলা এলাকায় ভিড় করেন হাজারো মানুষ। সাদা-লাল রঙের ঐতিহ্যবাহী পোশাকে সজ্জিত অংশগ্রহণকারীদের উপস্থিতিতে পুরো এলাকা উৎসবের রঙে রাঙিয়ে ওঠে।

শোভাযাত্রার শুরুতে মহানগর পুলিশের ১০টি ঘোড়সওয়ার দল অংশ নেয়। তাদের পেছনে জাতীয় পতাকা বহন করে প্রায় ২০০ শিক্ষার্থীর একটি দল অগ্রসর হয়। এরপর মূল ব্যানারসহ শিক্ষক, শিক্ষার্থী, সাংস্কৃতিক সংগঠন ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা শোভাযাত্রায় যোগ দেন।

এবারের শোভাযাত্রার বিশেষ আকর্ষণ ছিল পাঁচটি বড় মোটিফ—মোরগ, বেহালা, শান্তির পায়রা, হাতি ও ঘোড়া। এছাড়া প্রায় ৪০ জন শিল্পীর বাদ্যযন্ত্র পরিবেশনা এবং প্রায় ১৫০ ফুট দীর্ঘ পটচিত্রের স্ক্রল পেইন্টিং আয়োজনটিকে অনন্য মাত্রা দেয়। দেশের ১০টি ভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর প্রতিনিধিদের অংশগ্রহণে শোভাযাত্রা হয়ে ওঠে বহুসাংস্কৃতিক ঐক্যের প্রতীক।

শোভাযাত্রায় অংশগ্রহণকারীদের হাতে ছিল রঙিন মুখোশ, প্রতীকী শিল্পকর্ম ও গ্রামীণ ঐতিহ্যের নানা উপস্থাপন। শিল্পকর্মে উঠে আসে গ্রামীণ জীবন, প্রকৃতি, বৈচিত্র্যময় জাতিসত্তা ও সম্প্রীতির বার্তা। বিশেষ করে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর অংশগ্রহণ আয়োজনটিকে দিয়েছে নতুন মাত্রা।

নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে চারুকলা এলাকা ও আশপাশে নেওয়া হয় বিশেষ ব্যবস্থা। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও স্বেচ্ছাসেবীরাও দায়িত্ব পালন করেন।

প্রতিবছরের মতো এবারও বৈশাখী শোভাযাত্রা বাঙালির ঐতিহ্য, অসাম্প্রদায়িক চেতনা ও সাংস্কৃতিক ঐক্যের প্রতীক হিসেবে নতুন বছরকে বরণ করার এক প্রাণবন্ত মিলনমেলায় পরিণত হয়েছে।

 

 

একুশে সংবাদ/যাবিদ

Link copied!