আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও নির্বিঘ্নভাবে সম্পন্ন করতে দেশজুড়ে এক লাখ সেনাসদস্য মোতায়েন করা হয়েছে বলে জানিয়েছে সেনাসদর। ভোটারদের নিরাপদে কেন্দ্রে যাতায়াত নিশ্চিত করা এবং নির্বাচনী পরিবেশে আস্থা ফেরাতেই এবারের নির্বাচনে সেনা মোতায়েন আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় ব্যাপকভাবে বাড়ানো হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর গুলিস্তানে রোলার স্কেটিং কমপ্লেক্সে ‘ইন এইড টু সিভিল পাওয়ার’-এর আওতায় সেনাবাহিনীর দায়িত্ব ও কার্যক্রম বিষয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান সেনাসদরের সামরিক অপারেশন্স পরিদপ্তরের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল দেওয়ান মোহাম্মদ মনজুর হোসেন।
তিনি জানান, পূর্ববর্তী নির্বাচনগুলোতে সর্বোচ্চ ৪০ থেকে ৪২ হাজার সেনাসদস্য স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে মূলত দূরবর্তী এলাকায় অবস্থান করতেন। তবে এবার প্রথমবারের মতো সেনাবাহিনীকে ভোটকেন্দ্রের আঙিনা পর্যন্ত টহলের অনুমতি দেওয়া হয়েছে, যা সেনা মোতায়েনের ক্ষেত্রে একটি বড় পরিবর্তন।
ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মনজুর হোসেন বলেন, সাধারণ ভোটাররা যেন নির্ভয়ে ও নির্বিঘ্নে ভোটকেন্দ্রে যেতে পারেন, সেই লক্ষ্যেই সেনাবাহিনী প্রধান ন্যূনতম প্রয়োজনীয় সেনাসদস্যদের ব্যতীত বাকি সদস্যদের নির্বাচনী দায়িত্বে নিয়োজিত করেছেন। এর ফলেই এবারের নির্বাচনে সেনাসদস্যের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।
তিনি আরও বলেন, সেনা মোতায়েন কার্যক্রম পরিচালনায় যানবাহনের কিছু সীমাবদ্ধতা রয়েছে। এ কারণে অসামরিক প্রশাসনের কাছে যানবাহন চাওয়া হয়েছে। পর্যাপ্ত যানবাহন না পাওয়া গেলে প্রয়োজন অনুযায়ী গাড়ি ভাড়া করেও টহল কার্যক্রম অব্যাহত রাখা হচ্ছে।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, ভোটারদের আস্থা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সেনাসদস্যরা দিন-রাত অক্লান্ত পরিশ্রম করে মাঠে দায়িত্ব পালন করছেন। এ বাড়তি নিরাপত্তা ব্যবস্থা গত ২০ জানুয়ারি থেকেই কার্যকর রয়েছে এবং নির্বাচন শেষ না হওয়া পর্যন্ত তা অব্যাহত থাকবে।
একুশে সংবাদ/এ.জে



একুশে সংবাদের সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

