জামায়াত যদি কোনো কারণে দেশে ক্ষমতায় আসে, এই দেশটা পাকিস্তান হইবো। ঐ ইটনাতে আইসা বইসা থাকবো পাকিস্তানের পাঁচজন মিলিটারি, মিঠামইনে বইসা থাকবো দশজন, অষ্টগ্রামে পাঁচজন। এই বিশজনে মিলে আর জামায়াতের রাজাকার আলবদররা মিলে এইটারে ’৭১ বানাইবো।এটাকে পরাধীন দেশ বানাবে। রাস্তা দিয়ে হাঁটতে পারবেন না।
মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে মিঠামইনের ঢাকী ইউনিয়ন বিএনপির উদ্যোগে আয়োজিত নির্বাচনী জনসভায় এসব কথা বলেন কিশোরগঞ্জ-৪ আসনের বিএনপির মনোনীত প্রার্থী অ্যাডভোকেট ফজলুর রহমান।
তিনি আরও বলেন, ঐ বাঙালকা বাচ্চা, তুই কাবি নেহি আচ্ছা বলে একটা লাত্তি মারবে। এরা মানুষের বাচ্চা না। আল্লাহর দোহাই লাগে, আমারে ভোট দিয়েন না-আমি আপনাদেরকে না করি। কিন্তু এদেরকে ভোট দিয়ে দেশটাকে পাকিস্তান বানায়া আমার মা-বোনের ইজ্জত নষ্ট কইরেন না। এদের চেয়ে খারাপ এই পৃথিবীতে কেউ জন্মগ্রহণ করে নাই।
ফজলুর রহমান আরও বলেন, কয়েকদিন আগে কইছে, তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হইবো—স্যার, আমাদেরকে একটু সাথে নিয়েন। আর তাদের ডাকসুর ভিপি বলে, তারেক রহমানকে হাসিনার মতো লাত্তি দিয়ে দেশ থেকে বের করে দিব। এত বেয়াদব হয় মানুষ! ও তো তারেক রহমানের সন্তানের সমান। তারেক রহমানের মেয়েই তো ব্যারিস্টার, তার চেয়ে অনেক বড়।
এই কথাগুলো জামায়াতের জন্য ডিকশনারীতে আইছে-বেত্তমিজ, বেয়াদব, বেইমান। এই কথাগুলো আইচে কিন্তু জামায়াতের জন্যই। এদের সাথে ইলেকশন করতে হচ্ছে আমাকে। কী ইলেকশন হবে! ভোট যদি হয়, ১০ শতাংশ ভোট পাইবো কিনা সন্দেহ। কয় শতাংশ ভোট পাইবো, কে তাদের কর্মী, কে দিবে তাদের ভোট?
তিনি আরও বলেন, প্রথমে কতগুলো ভদ্র মহিলারে ছাড়ছে বোরকা পড়িয়ে। কানের মধ্যে দুল, গলার মধ্যে চেইন, হাতে কিছু বিস্কুট, কিছু চকলেট বাচ্চাদের দিছে। আর মায়েদের গিয়ে বলছে—ভোট যদি দেন, তাহলে বেহেশতের একটা টিকিট পাইবেন। পরে যখন সবাই কইছে, কিরে ব্যাটা, বেহেশতের টিকিট তুই দেওয়ার কে রে? বেহেশতের টিকিট দেওয়ার মালিক হলো আল্লাহ। তুই কি আল্লাহ? তুই যদি আল্লাহ হয়ে থাকোস, তাহলে তুই হইলি এই পৃথিবীতে সবচেয়ে গুনা করছোস। তুই চিরদিন জাহান্নামের আগুনে জ্বলবি।
সভায় তিনি ভোটারদের উদ্দেশ্যে আহ্বান জানিয়ে বলেন, স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার স্বার্থে বিভ্রান্ত না হয়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে হবে। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ফজলুর রহমানের স্ত্রী ও কিশোরগঞ্জ জেলা বিএনপির সাবেক সহসভাপতি উম্মে কুলসুম রেখাসহ বিএনপির স্থানীয় নেতাকর্মীরা।
একুশে সংবাদ/ওজি



একুশে সংবাদের সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

