AB Bank
  • ঢাকা
  • শনিবার, ২০ জুন, ২০২৬,

সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল

Ekushey Sangbad QR Code
BBS Cables
Janata Bank
  1. জাতীয়
  2. রাজনীতি
  3. সারাবাংলা
  4. আন্তর্জাতিক
  5. অর্থ-বাণিজ্য
  6. খেলাধুলা
  7. বিনোদন
  8. শিক্ষা
  9. তথ্য-প্রযুক্তি
  10. অপরাধ
  11. প্রবাস
  12. রাজধানী

মহেশখালীতে হচ্ছে জাপানি মডেলে ‘আদর্শ মৎস্যগ্রাম’


Ekushey Sangbad
একুশে সংবাদ ডেস্ক
০৮:৫৭ পিএম, ১৪ জানুয়ারি, ২০২৬

মহেশখালীতে হচ্ছে জাপানি মডেলে ‘আদর্শ মৎস্যগ্রাম’

বঙ্গোপসাগরের সামুদ্রিক সম্পদ সংরক্ষণ ও টেকসই নীল অর্থনীতি গড়ে তোলার লক্ষ্যে নতুন এক উদ্যোগে যুক্ত হলো বাংলাদেশ। সাগর সংরক্ষণ, সামুদ্রিক মৎস্য সুরক্ষা এবং ব্লু ইকোনমি বিকাশে জাপানের খ্যাতনামা সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের (এসপিএফ) সঙ্গে সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষর করেছে মহেশখালী ইন্টিগ্রেটেড ডেভেলপমেন্ট অথরিটি (মিডা)।

বুধবার (১৪ জানুয়ারি) বিকেলে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের উপস্থিতিতে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। মিডার পক্ষে নির্বাহী চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুন এবং এসপিএফ-এর ওশান পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউটের (ওপিআরআই) সভাপতি অধ্যাপক মিৎসুতাকু মাকিনো নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের হয়ে এমওইউতে সই করেন।

May be an image of dais, the Oval Office and text

অনুষ্ঠানে প্রধান উপদেষ্টা সমুদ্র দূষণ নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, বঙ্গোপসাগর দেশের জন্য এক বিশাল সম্পদ হলেও দিন দিন এটি দূষণের ঝুঁকিতে পড়ছে। এমনকি সমুদ্রের কয়েক হাজার মিটার গভীরেও প্লাস্টিক বর্জ্যের উপস্থিতি মিলছে। এই সমঝোতা সাগর সংরক্ষণ ও পরিষ্কার রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

প্রধান উপদেষ্টা জানান, এই উদ্যোগে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের মেরিন সায়েন্স ইনস্টিটিউট গবেষণায় অংশ নেবে। জাপানের নীল অর্থনীতির অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে মহেশখালীর তিনটি গ্রামকে ‘উমিগিও’ ধারণার আলোকে সামুদ্রিক শিল্পভিত্তিক আদর্শ মৎস্যগ্রামে রূপান্তর করা হবে।

May be an image of dais and text

বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ স্বাধীন দাতব্য সংস্থা সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের সঙ্গে এই অংশীদারত্বের আওতায় কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রম বাস্তবায়নের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে— আধুনিক ও স্বয়ংসম্পূর্ণ মডেল মৎস্যগ্রাম গড়ে তোলা, জেটি নির্মাণ, স্বয়ংক্রিয় মাছ অবতরণ কেন্দ্র, কোল্ডচেইন ব্যবস্থা ও উন্নত পরিবহন অবকাঠামো স্থাপন।

এ ছাড়া আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে গভীর সমুদ্রে মাছ আহরণ, প্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্প গড়ে তোলা, জেলেদের দক্ষতা বৃদ্ধি, সাগরে নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং মৎস্যপণ্যের রপ্তানি বহুমুখীকরণে প্রশিক্ষণ কার্যক্রমও অন্তর্ভুক্ত থাকবে।

মিডার নির্বাহী চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুন বলেন, বঙ্গোপসাগরের সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে বিজ্ঞানভিত্তিক পরিকল্পনা ও আধুনিক কৌশল প্রয়োগ করা হবে। এই সহযোগিতা বাংলাদেশের সামুদ্রিক অর্থনীতিকে নতুন মাত্রা দেবে।

অন্যদিকে এসপিএফ-এর অধ্যাপক মিৎসুতাকু মাকিনো বলেন, এই যৌথ উদ্যোগের মাধ্যমে জাপান ও বাংলাদেশের সম্পর্ক আরও দৃঢ় হবে এবং উপকূলীয় জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।

উল্লেখ্য, ১৩ ও ১৪ জানুয়ারি ঢাকার একটি হোটেলে আয়োজিত ‘নর্থইস্ট ইন্ডিয়ান ওশান রিজিওনাল ডায়ালগ’-এর অংশ হিসেবে এই সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়। এতে বাংলাদেশ ছাড়াও ভারত, শ্রীলঙ্কা ও মালদ্বীপের বিশেষজ্ঞরা অংশ নেন।

 

একুশে সংবাদ/এ.জে

Link copied!