AB Bank
  • ঢাকা
  • শুক্রবার, ০৫ জুন, ২০২৬,

সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল

Ekushey Sangbad QR Code
BBS Cables
Janata Bank
  1. জাতীয়
  2. রাজনীতি
  3. সারাবাংলা
  4. আন্তর্জাতিক
  5. অর্থ-বাণিজ্য
  6. খেলাধুলা
  7. বিনোদন
  8. শিক্ষা
  9. তথ্য-প্রযুক্তি
  10. অপরাধ
  11. প্রবাস
  12. রাজধানী

বাংলাদেশের সঙ্গে সমন্বিত অংশীদারি চুক্তির আলোচনা শিগগিরই চূড়ান্ত হবে : ইইউ


Ekushey Sangbad
নিজস্ব প্রতিবেদক
০৯:২৮ পিএম, ৭ জানুয়ারি, ২০২৬

বাংলাদেশের সঙ্গে সমন্বিত অংশীদারি চুক্তির আলোচনা শিগগিরই চূড়ান্ত হবে : ইইউ

বাংলাদেশ ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) মধ্যে সমন্বিত অংশীদারি চুক্তি (কমপ্রিহেনসিভ পার্টনারশিপ অ্যাগ্রিমেন্ট) নিয়ে চলমান আলোচনা শিগগিরই চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছাবে বলে জানিয়েছে ইইউ। সংস্থাটির এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা এ আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

বুধবার (৭ জানুয়ারি) ঢাকায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতে এ কথা বলেন ইউরোপীয় এক্সটারনাল অ্যাকশন সার্ভিসের (ইইএএস) এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের ভারপ্রাপ্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক পাওলা পাম্পালোনি।

সাক্ষাতে বাংলাদেশ-ইইউ দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়। বিশেষ করে সমন্বিত অংশীদারি ও সহযোগিতা কাঠামো চুক্তি (পিসিএ) সংক্রান্ত আলোচনা, আসন্ন জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট, অবৈধ অভিবাসন প্রতিরোধ, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণের বিষয়গুলো গুরুত্ব পায়।

পাওলা পাম্পালোনি বলেন, প্রায় দুই দশক ধরে সাধারণ অংশীদারি কাঠামোর আওতায় সম্পর্ক পরিচালনার পর ২০২৪ সালের নভেম্বরে সমন্বিত অংশীদারি চুক্তি নিয়ে আনুষ্ঠানিক আলোচনা শুরু হয়। তিনি অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর অধ্যাপক ইউনূসের নেতৃত্বে যে ব্যাপক ও গুরুত্বপূর্ণ সংস্কার কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে, তার প্রশংসা করেন।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের সঙ্গে রাজনৈতিক ও বাণিজ্যিক অংশীদারিত্বকে ইউরোপীয় ইউনিয়ন বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে দেখে এবং অন্তর্বর্তী সরকারের সংস্কারমুখী উদ্যোগগুলো গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ ও মূল্যায়ন করছে।

পিসিএ চুক্তিতে অগ্রগতিকে ইতিবাচক হিসেবে উল্লেখ করে ইইউ কর্মকর্তা বলেন, এই চুক্তি দুই পক্ষের সম্পর্ককে নতুন মাত্রা দেবে এবং বাণিজ্য ও বিনিয়োগে উল্লেখযোগ্য সুযোগ সৃষ্টি করবে।

জবাবে অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস গত ১৭ মাসে ইইউর ধারাবাহিক সমর্থনের জন্য কৃতজ্ঞতা জানান। তিনি বলেন, পিসিএ বাংলাদেশের জন্য একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি, যা দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করবে।

পাওলা পাম্পালোনি জানান, বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ককে ইইউ সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে। এর অংশ হিসেবে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির জাতীয় নির্বাচন পর্যবেক্ষণে একটি উচ্চপর্যায়ের বড় নির্বাচন পর্যবেক্ষক মিশন পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, মিশনের প্রধান চলতি সপ্তাহেই বাংলাদেশে এসে রাজনৈতিক দল ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে বৈঠক করবেন।

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, আসন্ন জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক রূপান্তরের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি আশা প্রকাশ করেন, রাজনৈতিক দলগুলো জুলাই সনদের পক্ষে অবস্থান নেবে এবং গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে প্রচার চালাবে।

নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু, অংশগ্রহণমূলক ও শান্তিপূর্ণ করতে সরকারের দৃঢ় অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে অধ্যাপক ইউনূস বলেন, দীর্ঘ সময় স্বৈরশাসনের কারণে মানুষ ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত ছিল, এবার উৎসবমুখর পরিবেশে ভোট দেওয়ার সুযোগ সৃষ্টি হবে।

পাওলা পাম্পালোনি শান্তিপূর্ণ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, সফল গণতান্ত্রিক রূপান্তরের মাধ্যমে বাংলাদেশ ও ইইউর সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় পৌঁছাতে পারে।

সাক্ষাতে প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ দূত লুৎফে সিদ্দিকী, এসডিজি বিষয়ক সমন্বয়ক ও সিনিয়র সচিব লামিয়া মোরশেদ এবং বাংলাদেশে নিযুক্ত ইইউ রাষ্ট্রদূত মাইকেল মিলার উপস্থিত ছিলেন।

 

একুশে সংবাদ/এ.জে

Link copied!