ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলায় (ডিআইটিএফ) অংশগ্রহণকারী দেশ ও প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতি সহযোগিতা ও অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস।
৩০তম ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা–২০২৬ উপলক্ষে গত ৩১ ডিসেম্বর দেওয়া এক বাণীতে তিনি বলেন, অন্তর্বর্তী সরকার দেশের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখা এবং কাঙ্ক্ষিত প্রবৃদ্ধি অর্জনে দৃঢ় অঙ্গীকার নিয়ে কাজ করছে।
প্রথমে মেলার উদ্বোধন ১ জানুয়ারি নির্ধারিত থাকলেও সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে জাতীয় শোক ঘোষণার কারণে তা পিছিয়ে ৩ জানুয়ারি নির্ধারণ করা হয়।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা বাংলাদেশের সম্ভাবনাকে বিশ্বপরিসরে তুলে ধরার একটি গুরুত্বপূর্ণ আয়োজন। তিনি মেলায় অংশ নেওয়া দেশি-বিদেশি উদ্যোক্তা, বিনিয়োগকারী, ব্যবসায়ী ও ক্রেতাদের শুভেচ্ছা জানান।
তিনি আরও বলেন, দেশীয় পণ্যের প্রচার ও রপ্তানি বাণিজ্য সম্প্রসারণে এই মেলার ভূমিকা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। মাসব্যাপী এ আয়োজনের মাধ্যমে দেশীয় মানসম্পন্ন পণ্য দেশি ও আন্তর্জাতিক বাজারে পরিচিতি পাচ্ছে। একই সঙ্গে স্থানীয় উদ্যোক্তা ও ভোক্তারা বৈশ্বিক বাজারের পণ্য, নকশা ও প্রবণতা সম্পর্কে ধারণা লাভ করছেন।
অধ্যাপক ইউনূস বলেন, অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই অর্থনীতিকে গতিশীল ও স্থিতিশীল রাখতে কাজ করছে। এ ক্ষেত্রে ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা একটি কার্যকর সহায়ক হিসেবে ভূমিকা রাখতে পারে। এই মেলার মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টি, অর্থনৈতিক কার্যক্রম সম্প্রসারণ এবং বিদেশে বাংলাদেশি পণ্যের বাজার বৃদ্ধি পাবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
তিনি বিশ্বাস করেন, দেশীয় পণ্যের বহুমুখীকরণ, বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ এবং সামগ্রিক উন্নয়নে মেলাটি গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।
প্রধান উপদেষ্টা আশা প্রকাশ করে বলেন, মেলায় অংশগ্রহণকারী সব দেশ ও প্রতিষ্ঠান পারস্পরিক সহযোগিতা ও অংশীদারিত্বের মনোভাব নিয়ে কাজ করলে এই আয়োজন আরও সফল, দর্শকবান্ধব ও উৎসবমুখর হয়ে উঠবে।
শেষে তিনি ৩০তম ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলার সার্বিক সাফল্য কামনা করেন।
একুশে সংবাদ/এ.জে



একুশে সংবাদের সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

