AB Bank
  • ঢাকা
  • শনিবার, ২০ জুন, ২০২৬,

সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল

Ekushey Sangbad QR Code
BBS Cables
Janata Bank
  1. জাতীয়
  2. রাজনীতি
  3. সারাবাংলা
  4. আন্তর্জাতিক
  5. অর্থ-বাণিজ্য
  6. খেলাধুলা
  7. বিনোদন
  8. শিক্ষা
  9. তথ্য-প্রযুক্তি
  10. অপরাধ
  11. প্রবাস
  12. রাজধানী

যে খাবার শক্তিশালী রাখবে


Ekushey Sangbad
লাইফস্টাইল ডেস্ক
১২:১১ পিএম, ১৬ মে, ২০২৬

যে খাবার  শক্তিশালী রাখবে

দৈনন্দিন খাদ্যতালিকা আমাদের শক্তির মাত্রা স্থিতিশীল রাখতে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে। সঠিক খাবার বেছে নিলে শরীর একবারে সব শক্তি নির্গত না করে ধীরে ধীরে শক্তি নির্গত করতে সাহায্য করে। 

এটি সারাদিন ধরে  ভালো মনোযোগ, মেজাজ এবং কর্মশক্তি বজায় রাখতেও সহায়তা করে। সাধারণ প্রাকৃতিক উপাদান নিয়মিত খাদ্যতালিকায় যোগ করলে পরিবর্তনটা নিজেই টের পাবেন। এখানে এমন কিছু সুপারফুডের কথা বলা হলো যা হঠাৎ এনার্জি ক্রাশ ছাড়াই আপনাকে কর্মশক্তি ধরে রাখতে সাহায্য করতে পারে-
১. বাদাম

বাদামে রয়েছে স্বাস্থ্যকর ফ্যাট, প্রোটিন এবং ফাইবার, যা রক্তে ধীরে ধীরে শক্তি নির্গত করতে সাহায্য করে। এটি রক্তে শর্করার মাত্রার আকস্মিক বৃদ্ধি এবং পতন রোধ করে। বাদাম সারারাত ভিজিয়ে রাখলে তা সহজে হজম হয় এবং পুষ্টি শোষণ উন্নত হয়। সকালে অল্প পরিমাণে খেলে তা আপনাকে দীর্ঘক্ষণ পেট ভরা ও সতেজ রাখতে সাহায্য করবে। এগুলো মস্তিষ্কের কার্যকারিতা বাড়াতেও সাহায্য করে, যা দিন শুরু করার জন্য একটি চমৎকার উপায়।

২. খেজুর
খেজুর গ্লুকোজের একটি প্রাকৃতিক উৎস, তাই আপনার দ্রুত শক্তির প্রয়োজন হলে এটি একটি চমৎকারভাবে কাজ করবে। এটি পরিশোধিত চিনির মতো নয়, এতে আয়রন এবং ম্যাগনেসিয়ামের মতো খনিজও রয়েছে যা সার্বিক স্বাস্থ্য রক্ষায় সহায়তা করে। খেজুরের সঙ্গে বাদাম খেলে এর মিষ্টি স্বাদের সঙ্গে প্রোটিন এবং ফ্যাটের ভারসাম্য বজায় থাকে। এই সংমিশ্রণ হঠাৎ করে শরীরে শর্করার মাত্রা কমে যাওয়া প্রতিরোধ করে।

৩.  ঘি
খাবারের তালিকায় অল্প পরিমাণে ঘি বা পিনাট যোগ করলে তা দীর্ঘস্থায়ী শক্তি সরবরাহ করতে পারে। স্বাস্থ্যকর ফ্যাট হজম হতে বেশি সময় নেয়, যার অর্থ হলো এগুলো শরীরের জন্য শক্তির একটি স্থিতিশীল উৎস সরবরাহ করে। এগুলো মস্তিষ্কের স্বাস্থ্য রক্ষায় এবং পুষ্টি শোষণ উন্নত করতেও সাহায্য করে। খাবারে এই ফ্যাটগুলো অন্তর্ভুক্ত করলে আপনি দীর্ঘক্ষণ পেট ভরা অনুভব করতে পারেন। এমনকি অল্প পরিমাণও দীর্ঘস্থায়ী শক্তিতে একটি লক্ষণীয় পার্থক্য আনতে পারে।

৪. অশ্বগন্ধা

অশ্বগন্ধা একটি অ্যাডাপ্টোজেনিক ভেষজ, যা শরীরকে মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করার জন্য পরিচিত। মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণে থাকলে সারাদিন ধরে শক্তির মাত্রা স্থিতিশীল থাকে। ভালো শোষণের জন্য এটি সাধারণত দুধ বা কোনো উদ্ভিদ-ভিত্তিক খাবারের সঙ্গে গ্রহণ করা হয়। নিয়মিত এবং নির্দেশিত ব্যবহারে কর্মশক্তি উন্নত হতে পারে এবং ক্লান্তি কমতে পারে। এটি ধীরে ধীরে শরীরের সামগ্রিক ভারসাম্য বজায় রাখতেও সাহায্য করে।

৫. সবুজ মুগ ডাল

সবুজ মুগ ডাল উদ্ভিদ-ভিত্তিক প্রোটিনে সমৃদ্ধ এবং এটি হজমে সহজ। এটি শরীরকে ভারী বোধ না করিয়েই ধীরে ধীরে শক্তি সরবরাহ করে। স্যুপ, ডাল বা সালাদে এটি যোগ করলে শক্তির মাত্রা বজায় রাখতে সাহায্য করে। এটি প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদানেরও একটি ভালো উৎস যা সার্বিক সুস্থতা বাড়ায়। এর হালকা প্রকৃতির কারণে এটি দৈনন্দিন খাবারের জন্য আদর্শ।

 

 

একুশে সংবাদ/ওজি

Link copied!