AB Bank
  • ঢাকা
  • রবিবার, ২৬ জুলাই, ২০২৬,

সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল

Ekushey Sangbad QR Code
BBS Cables
Janata Bank
  1. জাতীয়
  2. রাজনীতি
  3. সারাবাংলা
  4. আন্তর্জাতিক
  5. অর্থ-বাণিজ্য
  6. খেলাধুলা
  7. বিনোদন
  8. শিক্ষা
  9. তথ্য-প্রযুক্তি
  10. অপরাধ
  11. প্রবাস
  12. রাজধানী

ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী-পুতিন বৈঠকে সেন্ট পিটার্সবার্গ পৌঁছেছেন


Ekushey Sangbad
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
১১:২৩ এএম, ২৭ এপ্রিল, ২০২৬

ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী-পুতিন বৈঠকে সেন্ট পিটার্সবার্গ পৌঁছেছেন

ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি রাশিয়ার সেন্ট পিটার্সবার্গ পৌঁছেছেন এবং দেশটির প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনসহ শীর্ষ রুশ কর্মকর্তাদের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকের প্রস্তুতি নিচ্ছেন।
রাশিয়ায় পৌঁছে ইরানি গণমাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন ইস্যুতে তেহরান ও মস্কোর মধ্যে চলমান ঘনিষ্ঠ পরামর্শ অব্যাহত রাখাই এই সফরের মূল উদ্দেশ্য। তার মতে, বর্তমান যুদ্ধাবস্থায় এই উচ্চপর্যায়ের আলোচনা দুই দেশের কৌশলগত সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরাগচি উল্লেখ করেছেন, আজ সোমবার পরবর্তী সময়ে প্রেসিডেন্ট পুতিনের সঙ্গে তার নির্ধারিত বৈঠকটি চলমান যুদ্ধের গতিপ্রকৃতি এবং সর্বশেষ পরিস্থিতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনার একটি চমৎকার সুযোগ তৈরি করবে।

তিনি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করেন, এই সংকটময় মুহূর্তে দুই দেশের মধ্যে সমন্বয় ও পারস্পরিক পরামর্শ বিশেষ গুরুত্ব বহন করে। বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে ইরানের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে রাশিয়ার সমর্থন ও রাজনৈতিক অবস্থান তেহরানের জন্য বড় একটি শক্তির উৎস হিসেবে কাজ করছে।

বিশ্লেষকদের মতে, আরাগচির এই সফর কেবল দ্বিপাক্ষিক আলোচনার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, বরং এটি পশ্চিমা শক্তিগুলোর ওপর একটি কূটনৈতিক চাপ সৃষ্টির কৌশল। ইরান ও রাশিয়ার মধ্যকার ক্রমবর্ধমান সামরিক ও রাজনৈতিক সহযোগিতা বর্তমান বৈশ্বিক সমীকরণে নতুন মাত্রা যোগ করেছে।

আরাগচি আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন, এই আলোচনার মাধ্যমে দুই দেশ একটি অভিন্ন অবস্থানে পৌঁছাতে সক্ষম হবে যা যুদ্ধের পরবর্তী ধাপগুলোতে ইরানের অবস্থানকে আরও সুসংহত করবে। সেন্ট পিটার্সবার্গে এই বৈঠকের ফলাফলের দিকে এখন পুরো বিশ্বের কূটনৈতিক মহল গভীর নজর রাখছে।

putin

পুতিনের সঙ্গে এই বৈঠকের মাধ্যমে ইরান মূলত রাশিয়ার কাছ থেকে সামরিক ও গোয়েন্দা সহায়তার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক অঙ্গনে জোরালো কূটনৈতিক সমর্থন নিশ্চিত করতে চাইছে।

যেহেতু ইরান বর্তমানে বড় ধরনের অর্থনৈতিক ও সামরিক অবরোধের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে, তাই ক্রেমলিনের সঙ্গে এই সমন্বয় তেহরানকে নতুন কোনো চুক্তিতে পৌঁছাতে বা যুদ্ধের ময়দানে টিকে থাকতে সাহায্য করবে বলে মনে করা হচ্ছে। আরাগচি তার বক্তব্যে বারবার এই সমন্বয়ের গুরুত্ব তুলে ধরেছেন এবং একে আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতা পুনরুদ্ধারের একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বর্ণনা করেছেন। সূত্র: আল জাজিরা

 

একুশে সংবাদ/ওজি

Link copied!