মাগুরা শ্রীপুর উপজেলার মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি জোয়ার্দ্দার স্বর্ণালী রিয়া (রিয়া জোয়ার্দ্দার)-এর বিরুদ্ধে নিষিদ্ধ ঘোষিত রাজনৈতিক সংগঠন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক কার্যক্রমে সম্পৃক্ত থাকার অভিযোগ উঠেছে।
অভিযোগ রয়েছে, তিনি নিয়মিতভাবে পলাতক বিভিন্ন নেতার সঙ্গে যোগাযোগ রেখে দলকে পুনর্গঠনের চেষ্টা করছেন। এছাড়া বিভিন্ন স্তরের নেতা-কর্মীদের সঙ্গে হোয়াটসঅ্যাপ, মেসেঞ্জার এবং অন্যান্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিয়মিত যোগাযোগ রক্ষা করছেন বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।
এদিকে, সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত একটি ভিডিও বার্তায় তাকে তৎকালীন পলাতক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে কথোপকথন করতে দেখা যায় বলে দাবি করা হচ্ছে। ওই কথোপকথনে দলের সাংগঠনিক কার্যক্রম ও নেতা-কর্মীদের কীভাবে সংগঠিত করা যায়, সে বিষয়ে আলোচনা হয়েছে বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে জোয়ার্দ্দার স্বর্ণালী রিয়া বা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
এ বিষয়ে মাগুরার শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শেখ তাসনীম আলস বলেছেন, ‘রিয়া জোয়ার্দারের পুনর্গঠিত হওয়ার কোন তথ্য আমাদের কাছে নেই। আমরা বিভিন্ন সময়ে তার বাসায় অভিযান চালিয়েছি কিন্তু তিনি পলাতক।
এখন পলাতক অবস্থায় কিভাবে তিনি এসব কাজ করছেন তা আমাদের জানা নেই। তবে প্রকাশ্যে তিনি কিছু করে থাকলে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।’
মাগুরার শ্রীপুর থানা মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি জোয়ার্দার স্বর্ণালী ওরফে রিয়া জোয়ার্দার ছিলেন মাগুরার ক্ষমতাধর পলাতক সাবেক সংসদ সদস্য সাইফুজ্জামান শেখরের ঘনিষ্ঠ বান্ধবী ছিলেন বলেও স্থানীয়রা জানিয়েছেন।
আওয়ামীলীগের বিরুদ্ধে বিগত ২৪ সালের জুলাইয়ের ছাত্র-জনতার আন্দোলনকে দমন করতে আওয়ামী-পুলিশ বাহিনীর সাথে মাঠে ছাত্র জনতাকে আক্রমন করার বহু প্রমান রয়েছে তার বিরুদ্ধে।
শেখ হাসিনার ভারতে পালিয়ে যাওয়ার মাধ্যমে আওয়ামীলীগ সরকারের পতনের পর অন্তর্বর্তী সরকার গণহত্যা এবং মানবতা বিরোধী কর্মকান্ডের জন্য আওয়ামীলীগ কে রাজনৈতিক কার্যক্রম নিষিদ্ধ করে। বর্তমানেও সেই আদেশ বহাল রেখেছে বিএনপি সরকার। তবে রিয়া জোয়ার্দারের এমন কর্মখান্ডে স্থানীয়দের মনেও আতংক বিরাজ করছে।
একুশে সংবাদ/এস/ওজি



একুশে সংবাদের সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

